প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (পঞ্চম সম্ভার).djvu/১৪৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দেনা-পাওনা না, না, আমি কিছুই বলিনে । এই বলিয়া নিৰ্ম্মল তাড়াতাড়ি উঠিয়া দাড়াইয়৷ কহিল, বেলা হয়ে যাচ্চে—এখন আমি চললাম! ষোড়শীও সঙ্গে সঙ্গে উঠিয় দাড়াইল, কহিল, আমারও মন্দিরের কাজ আছে । কিন্তু আবার কখন দেখা হবে ? নিৰ্ম্মল অনিশ্চিত অস্ফুটকণ্ঠে কি একটা কহিল, ভাল শোনা গেল না। ষোড়শী হঠাৎ বলিয়া উঠিল, ভাল কথ, সন্ধ্যার পর আজই ত আমাকে নিয়ে মন্দিরে একট। হাঙ্গামা আছে, আসবেন ? নিৰ্ম্মল ঘাড় নাড়িয়া সম্মতি জানাইয়া বাহির হইয়া গেল। ষোড়শী মুচকিয়া একটু হাসিল, তারপরে কুটীরের দ্বারে শিকল তুলিয়া দিয়া মন্দিরের অভিমুখে বহির্গত হইল। ミ> শ্বশুর-জামাতা একত্রে আহারে বসিয়াছিলেন । শাশুড়ীঠাকুরাণী দধি ও মিষ্টান্ন আনিতে স্থানান্তরে গেলে রায় মহাশয় কহিলেন, ষোড়শীর সঙ্গে তোমার দেখা হ’লো নিৰ্ম্মল ? নিৰ্ম্মল মুখ না তুলিয়াই কহিল, আজ্ঞে ই । কি বলে সে ? - এরূপ একটা সাধারণ প্রশ্নের জবাব দেওয়া কঠিন। সে ক্ষণকাল নীরব থাকয়। জিজ্ঞাসা করিল, কিসের সম্বন্ধে ? মন্দিরের সম্বন্ধে । বোট ভৈরবীগিরি ছাড়বে, না চণ্ডীগড়ের নাম পৰ্য্যন্ত ডোবাবে ? দেশের লোক ত আর বাইরের দশজনের কাছে মুখ দেখাতে পারে না এমনি হয়ে উঠেচে ! - নিৰ্ম্মল চুপ করিয়া রহিল। চণ্ডীগড়ের ভৈরবীদিগের বিরুদ্ধে এ অপবাদ আবহমান কাল প্রচলিত আছে, এবং সে-জন্যে গ্রামের কেহ কোনদিন লজ্জায় প্রাণত্যাগ করিয়াছে বলিয়া প্রবাদ নাই । স্বয়ং চওঁীমাতাও কখনো আপত্তি করিয়াছেন বলিয়া লোকে জানে না। ইহাদের রীতি-নীতি, আচার-অনাচার সমস্তই সে শুনিয়া গিয়াছিল বলিয়া এ-সম্বন্ধে মন তাহার নিরপেক্ষভাবেই ছিল। বিশেষতঃ ষোড়শীর অপবাদ সে বিশ্বাস করে নাই, স্থতরাং ইহা মিথ্যা প্রমাণিত হইলেই সে খুলী হইত ; কিন্তু এই প্রমাণকেই তাহার ভৈরবী-পদের একমাত্র দাবি বলিয়া সে একদিনও आंद कब्र नाहे । लांशंब वज्रग्रह ऐत्रिङ नूठमe नब्र, छौषभंe नश, अथक ७हे कब्रके 3°t