প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (পঞ্চম সম্ভার).djvu/১৬২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


अंग्रॅ६-जांश्छिा-नर¢ङ् শোনেন ? তা আপনারা অনেক কথা শোনেন যা সত্যি নয়, এবং অনেক কথা বলেন যা মিথ্যে । এই যেমন আমাৰ সম্বন্ধে ভৈরবীর কথাটা-বলিয়া বক্তা হাস্ত করিলেন, কিন্তু শ্রোতার দল থতমত খাইয়া একেবারে মুঘডিয়া গেল। জীবানন্দ কহিলেন, কিন্তু যে জন্যে ত্বর করে আসতে চেয়েছিলেন তার হেতুটা শুনি ? জনাৰ্দ্দন রায় নিজেকে কথঞ্চিং সামলাইয়া লইলেন, মনে মনে কহিলেন, এত ভয়ই বা কিসের ? প্রকাশ্বে বলিলেন, মন্দির-সংক্রান্ত গোলযোগ যে এত সহজে নিষ্পত্তি করতে পারা যাবে তা আশা ছিল না। নিৰ্ম্মল যে-রকম বেঁকে দাড়িয়েছিল— জীবানন্দ কহিলেন, তিনি সোজা হলেন কি করে ? এই ব্যঙ্গ জনাৰ্দ্দন অতুভব করিলেন, কিন্তু শিরোমণি তাহার ধার দিয়াও গেলেন না, খুশী হইয়া সদৰ্পে কহিলেন, সমস্তই মায়ের ইচ্ছা হুজুর, সোজা যে হতেই হবে। পাপের ভায় তিনি আর সইতে পারছিলেন না । জীবানন্দ ঘাড় নাড়িয়া বলিলেন, তাই হবে । তার পরে ? শিরোমণি বলিলেন, কিন্তু পাপ ত দূর হলো, এখন,—বল না জনাৰ্দ্দন, হুজুরকে সমস্ত বুঝিয়ে বল না ? এই বলিয়। তিনি রাযমশায়কে হাত দিয়া ঠেলিলেন। জনাৰ্দ্দন চকিত হইয়া কহিলেন, মন্দিরের চাবি ত আমরা দাড়িয়ে থেকেক তার দাস ঠাকুরকে দিইয়েছি। আজ তিনিই সকালে মায়ের দোর খুলেচেন, কিন্তু সিন্দুকের চাবিটা শুনতে পেলাম ষোড়শী হুজুরের হাতে সমর্পন করেচে। জীবানন্দ পায় দিয়া কছিলেন, তা করেচে। জমাখরচের খাতাও একখানা দিয়েচে । শিরোমণি বলিলেন, বেটি এখনও আছে, কিন্তু কখন যে কোথায় চলে যায় সে ত বলা যায় না । জীবানন্দ মুহূৰ্ত্তকাল বৃদ্ধের মুখপানে চাহিয়া থাকিয়া জিজ্ঞাসা করলেন, কিন্তু সে জন্তে আপনাদের এত উদ্বেগ কেন ? উত্তরের জন্য তিনি জনাৰ্দ্দনের প্রতি চাহিলেন । জনাৰ্দ্দন সাহস পাইয়া কহিলেন, দলিলপত্র, মূল্যবান তৈজসাদি, দেবীর অলঙ্কার:প্রভৃতি যা-কিছু আছে গ্রামের প্রাচীন ব্যক্তিরা সমস্তই জানেন । শিরোমণিমশায় বলচেন যে, ষোড়শী থাকতেই সেগুলো সব মিলিয়ে দেখলে তাল হয় । হয়ত— হয়ত নেই ? এই না ? কিন্তু না থাকলেই বা আপনার আদায় করবেন কি করে ? জনাৰ্দ্দন সহসা জবাব খুজিয়া পাইলেন না, শেষে বলিলেন, তবু ত জানা যাবে হুজুর । কিন্তু আজ আমার সময় নাই য়ায়মশাই । জনাৰ্দ্দন মনে মনে উজ্জ্বলিত হইয়। উঠিলেন, প্রায় এইপ্রকার ফন্দি করিয়াই 》*编