প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (পঞ্চম সম্ভার).djvu/১৬৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্রছ তাও জানিনে । প্রফুল্ল কহিল, জেনেও কোন লাভ নেই দাদা। সহসা তাহার মুখের চেহারা বদলাইয়া গেল, কহিল, বাপরে । মেয়েমানুষ ত নয, যেন পুরুষের বাবা । মন্দিরে দাড়িয়ে সেদিন অনেকক্ষণ চেযেছিলাম, মনে হলো যেন পা থেকে মাথা পৰ্য্যস্ত একেবারে পাথরে গড় । ঘা মেবে গুড়ো কবা যাবে, কিন্তু আগুনে গলিয়ে যে ইচ্ছামত ছাচে ঢেলে গড়বেন, সে বস্তুই নম। পাবেন ত ও মতলবটা পরিত্যাগ করবেন । জীবাননা কতকটা বিদ্রুপের ভঙ্গিতে প্রশ্ন করিল, তা হলে প্রফুল্ল এবার নিতান্তই যাচ্চো ? প্রফুল্ল সবিনয়ে জবাব দিল, গুৰুজনের আশীৰ্ব্বাদের জোর থাকে ত মনস্কামনা সিদ্ধ হবে বই কি । জীবাননা কহিল, তা হতে পারে। কিন্তু কি করবে স্থির করেচ ? প্রফুল্ল বলিল, অভিলাষ ত আপনার কাছে ব্যক্ত করেচি। প্রথমে চারটি ডালভাতের জোগাভের চেষ্টা করব । জীবানন্দ কয়েক মুহূর্ত নীরবে থাকিযা প্রশ্ন করিল, ষোড়শী সত্যক্ট চলে যাবে তোমার মনে হয় ? প্রফুল্ল কহিল, হয় । তার কারণ, সংসারে সবাই প্রফুল নয়। ভাল কথা দাদা, একটা খবর আপনাকে দিতে ভুলেছিলাম। কাল রাত্রে নদীর ধাবে বেডাচ্ছিলাম, হঠাৎ দেখি সেই ফকিরসাহেব ! আপনাকে যিনি একদিন তীব বটগাছে ঘুঘু শিকার করতে দেননি—বন্দুক কেডে নিয়েছিলেন—তিনি। কুর্নিশ কবে কুশল প্রশ্ন করলাম, ইচ্ছে ছিল মুখরোচক ফুটে খোসামোদ-টোসামোদ করে যদি একটা কোন তাল রকমের ওষুধ-টষুধ বার করে নিতে পারি ত আপনাকে ধরে পেটেন্ট নিয়ে বেচে দু’পয়সা রোজগার করব । কিন্তু ব্যাটা ভারি চালক, সে দিক দিয়েই গেল না। কথায় কথায় শুনলাম তীর ভৈরবী মাকে দেখতে এসেছিলেন, এখন, চলে যাচ্ছেন। ভৈরবী যে সমস্ত ছেড়ে দিয়ে চলে যাচ্ছেন, তার কাছেই শুনতে পেলাম । জীবানন্দ কৌতুহলী হইয়া উঠিল, কছিল, এর সম্পদেশেই বোধ করি তিনি চলে যাচ্চেন | প্রফুল্ল ঘাড নাড়িয়া বলিল, না । বরঞ্চ এর উপদেশের বিরুদ্ধেই তিনি চলে যাচ্চেন । জীবানন্দ উপহাস করিয়া কহিল, বল কি প্রফুল্প, ফকিরসাহেব শুনি যে উীর सक्र । ७क्र-अली अञ्थन ? প্রফুল্প কহিল, এ ক্ষেত্রে তাই বটে।