প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (পঞ্চম সম্ভার).djvu/৩৩৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


(f আবার ঢাক ঢোল ও কপি-সহযোগ vশুভচণ্ডীর সমারোহ পূজার আয়োজন হইতেছিল, পরেশ বাধা দিয়া কহিল, বাবা এ-সব থাকৃ। কেন ? পরেশ কহিল, এ আমি সইতে পারবো না । তাহার বাবা বলিলেন, বেশ ত, সইতে না পার, আজকের দিনটা কলকাতায় বেড়িয়ে এসে গে। জগন্মাতার পূজা-ধৰ্ম্ম-কৰ্ম্মে বাধা দিয়ে না। বলা বাহুল্য, ধৰ্ম্মে-কৰ্ম্মে বাধা পড়িল না । দিন-দশেক পরে একদিন সকালে গুরুচরণের ঘরের দিকে অকস্মাৎ একটা ইকোস্থাকি চেঁচামেচির শব্দ উঠিল, খানিক পরে গয়লা মেয়ে কাদিতে কঁাদিতে আসিয়া উপস্থিত হইল, তাহার নাক দিয়া রক্ত পড়িতেছে । হরিচরণ ব্যস্ত হইয়া জিজ্ঞেস করিলেন, রক্ত কিসের মোক্ষদা, ব্যাপার কি ? কান্নার শব্দে বাটীর সকলেই আসিয়া পৌছিলেন । মোক্ষদা বলিল, দুধে জল দিয়েচি বলে বড়বাবু লাথি মেরে আমায় গৰ্ত্তে ফেলে দিয়েচেন । হরিচরণ কহিল, কে কে ? দাদা ? যা:– পরেশ বলিল, জ্যাঠামশাই ? মিথ্যে কথা । ছোটগল্পী বলিলেন, বঠ ঠাকুর দিয়েচেন মেয়েমানুষের গায়ে হাত ? তুই কি স্বপ্ন দেখচিল্‌ গয়লা-মেয়ে ? সে গায়ের কাদা-মাটি দেখাইয়া ঠাকুর-দেবতার দিব্যি করিয়া বলিল, ঘটনা সত্য। ইনজাংশনের কৃপায় প্রাচীর তোলা বন্ধ হইয়াছিল বটে, কিন্তু উঠানের গর্তগুলো তেমনই ছিল— বুজানো হয় নাই। গুরুচরণ লাথি মারায় ইহারই মধ্যে মোক্ষদ পড়িয়া গিয়া আহত হইয়াছে। হরিচরণ কহিল, চল আমার সঙ্গে, নালিশ করে দিবি । গৃহিণী কহিলেন, কি যে অসম্ভব বল তুমি ! বঠ ঠাকুর মেয়েমান্তবের গায়ে হাত দিবেন কি ! মিছে কথা । পরেশ স্তন্ধ হইয়া দাড়াইয়া রহিল, একটা কথাও বলিল না। হরিচরণ কহিল, মিছে হয় ফেলে যাবে। কিন্তু দাদার মুখ দিয়ে ত আর মিথ্যে বার হবে না । মেরে থাকেন শাস্তি হবে। - যুক্তি শুনিয়া গৃহিণীর স্ববুদ্ধি আসিল, কহিলেন, সে ঠিক। নিয়ে গিয়ে নালিশ করিয়ে দাও । ঠিক সাজ হয়ে যাবে ৷ হইলও তাই। দাদার মুখ দিয়া মিথ্যা శ్రీకి