প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (প্রথম সম্ভার).djvu/১১১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ঐীকান্ত প্রকার আনন্দের উদ্যোগ করিতে “বাবা তার দ্বিতীয় চেলাকে গঞ্জিকার কলিকাটা ইঙ্গিতে দেখাইয়া দিলেন ; এবং প্রস্তুত হইতে বিলম্ব না হয় সে বিষয়ে বিশেষ করিয়া উপদেশ দিলেন। আধ ঘণ্টা কাটিয়া গেল। সৰ্ব্বদর্শী ‘বাবা আমার প্রতি পরম তুষ্ট হইয়া বলিলেন, ই বেটা, তোমার অনেক গুণ । তুমি আমার চেলা হইবার উপযুক্ত পাত্র। আমি পরমানন্দে আর একবার বাবার পদধূলি মস্তকে গ্রহণ করিলাম। পরদিন প্রাতঃস্নান করিয়া আসিলাম । দেখিলাম, গুরুজার আশীৰ্ব্বাদে অভাব কিছুরই নাই। প্রধান চেলা যিনি, তিনি টাটুকা একমুট গেরুয়া বস্ত্র, জোড়াদশেক ছোটবড় রুদ্রাক্ষমালা এবং এক-জোড়া পিতলের তাগা বাহির করিয়া দিলেন। যেখানে যেটি মানায়—সাজগোজ করিয়া, খানিকটা ধুনির ছাই মাথায় মুখে মাখিয়া ফেলিলাম। চোখ টিপিয়া কহিলাম, বাবাজী, আয়না-টায়ন স্থায় ? মুখখান যে ভারী একবার দেখতে ইচ্ছে হচ্চে! দেখিলাম, তাহারও রস-বোধ আছে ; তথাপি একটুখানি গম্ভীর হইয়া তাচ্ছিল্যভরেই বলিলেন, হায় একঠো । তবে লুকিয়ে আনো না একবার ! মিনিট-দুই পরে আয়না লইয়া একটি গাছের আড়ালে গেলাম। পশ্চিমী নাপিতরা যেরূপ একখানি আয়না হাতে ধরাইয়া দিয়া ক্ষৌরকর্শ্ব সম্পন্ন করে, সেইরূপ ছোট একটুখানি টিনমোড়া আরশি । তা হোক, একটুখানি দেখিলাম, যত্নে এবং সদা ব্যবহারে বেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। চেহারা দেখিয়া আর হাসিয়া বাচি না। কে বলবে আমি সেই শ্ৰীকান্ত, যিনি কিছুকাল পূর্বেই রাজা-রাজড়ার মজলিসে বসিয়া বাইজার গান শুনিতেছিলেন । তা যাক । ঘণ্টাখানেক পরে গুরুমহারাজের সমীপে দীক্ষার জন্য নীত হইলাম। মহারাজ চেহারা দেখিয়া সাতিশয় প্রীত হইয়া বলিলেন, বেটা, মহিনী এক-অধ छैडूप्न] । o মনে মনে বহুত আচ্ছা বলিয়া তার পদধুলি গ্রহণ করিয়া যুক্তকরে, ভক্তিতরে একপাশে বসিলাম । আজ কথায় কথায় তিনি আধ্যাত্মিকতার অনেক উপদেশ দিলেন । ইহার দুরূহতার বিষয়, ইহার গভীর বিরাগ এবং কঠোর সাধনার বিষয়, আজকাল । ভণ্ড পাষণ্ডেরা কি প্রকারে ইহা কলঙ্কিত করিতেছে, তাহার বিশেষ বিবরণ, এবং ভগবৎপাদপদ্মে মতি স্থির করিতে হইলেই বা কি-কি অবিশ্বক, এতৎপক্ষে বৃক্ষজাতীয় শুষ্ক বস্তুবিশেষের ধুম ঘন-ঘন মুখ-বিবর দ্বারা শোষণ করত নাসারন্ধ্র >即红 १ञ-४8