প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (প্রথম সম্ভার).djvu/১৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ মৰাৰ্থই আমার বৃক র্কাপিয়া উঠিল। মনে হইল, ইহা অসম্ভব। কিন্তু তথাপি আমার ত দড়ি অবলম্বন আছে, কিন্তু তুমি ? - সে কছিল, তুই নেবে গেলেই আমি দড়ি খুলে দিয়ে নাম্ব। ভয় নেই, আমার নেবে যাবার অনেক ঘাসের শিকড় ঝুলে আছে। আর কথা না কহিয়া আমি দড়িতে ভর দিয়াঅনেক স্বত্বে অনেকছুঃখে নীচেআসিয়া নৌকায় বসিলাম। তখন দড়ি খুলিয়া দিয়া ইন্দ্র ঝুলিয়া পড়িল। সে ৰে কি অবলম্বন করিয়া নামিতে লাগিল, তাহা আজও আমি জানি না। ভয়ে বুকের ভিতরটায় এমনি টিপটপ করিতে লাগিল ষে, তাহার পানে চাহিতেই পারিলাম না । মিনিট দুই-তিন কাল বিপুল জলধারার মত্তগর্জন ছাড়া কোনও শব্দমাত্র নাই। হঠাৎ ছোট্ট একটুধানি হাসির শব্যে চকিত হইয়া মুখ ফিরাইয়াদেখি, ইন্দ্র দুই হাতদিয়া নৌকা সজোরে ঠেলিয়। দিয়া লাফাইয়া চড়িয়া বসিল । ক্ষুদ্র তরী তীব্র একটা পাক খাইয়া নক্ষত্ৰবেগে ভাসিয়া চলিয়া গেল । 놀 - কয়েক মুহুর্তেই ঘনাদ্ধকারে সম্মুখ এবং পশ্চাৎ লেপিয়া একাকার হইয়া গেল। রছিল শুধু দক্ষিণ ও বামে সীমান্তরাল প্রসারিত বিপুল উদ্ধাম জলস্রোত এবং তাহারই উপর তীব্ৰগতিশীল এই ক্ষুদ্র তরণীট এবং কিশোরবয়স্ক দুটি বালক । প্রকৃতিদেবীর সেই অপরিমের গম্ভীর রূপ উপলব্ধি করিবার বয়স তাহাদের নহে, কিন্তু সেকথা আমি আজও ভূলিতে পারি নাই ! বাস্থলেশহীন, নিষ্কম্প, নিস্তব্ধ, নিঃসঙ্গ নিশীথিনীর সে যেন এক বিরাট কালীমূৰ্ত্তি। নিবিড় কালো চুলে ছালোক ও ভূলোক আচ্ছন্ন হইয়া গেছে, এবং সেই সুচিভেদ্য শুদ্ধকার বিদীর্ণ করিয়া করালদংষ্ট্র রেখার দ্যায় দিগন্তবিস্তৃত এই তীব্র জলধারা হইতে কি এক প্রকারের অপরূপ স্তিমিত দু্যতি নিষ্ঠুর চাপাহাসির মত বিচ্ছুরিত হইতেছে। আশপাশে সন্মুখে কোথাও বা উন্মত্ত জলস্রোত গভীর তলদেশে বা খাইয়া উপরে উঠিয়া পড়িতেছে, কোথাও বা প্রতিকুল গতি রম্পরের সংঘাতে আ<ৰ্ত্ত রচিয়া পাক খাইতেছে, কোথাও বা অপ্রতিহত জলপ্রবাহ পাগল হইয়া ধাইয়া छजिब्रांरइ ! আমাদের নৌকা কোণাকুণি পাড়ি দিতেছে, এইমাত্র বুঝিয়াছি। কিন্তু পরপারের ঐ দুর্তেপ্ত অন্ধকারের কোন্‌থানে যে লক্ষ্য স্থির করিয়া ইন্দ্র হাল ধরিয়া নিঃশবে বসিয়া পাছে তাছার কিছুই জানি না। এই বয়সেই সে যে কত বড় মাঝি, তখন তাহা বুঝি নাই। হঠাৎ সে কথা কহিল, কি রে ঐকাস্তু, ভয় করে ? चन्नांवि दलिजांब, बां: १९