প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (প্রথম সম্ভার).djvu/৩৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ কেয়ার করব না। বলিয়া সে দুই হাতের বৃদ্ধাকৃষ্ঠ একত্র করিয়া সবেগে আম্বোলিত করিয়া দিল । যতীনদাও পিছনে পিছনে আসিয়া হাজির হইয়াছিল। সে তাহার কৃতিত্বের উত্তেজনায় একেবারে অধীর হইয়া উঠিয়াছিল ; এবং ছোড়দাকে এই শুভ সংবাদ দিয়া সেই এখানে আনিয়াছিল। প্রথমে সে খুব খানিকটা হাসিয়া লইল । হাসি থামিলে নিজের বুকে বারংবার করাঘাত করিয়া কহিল, আমি ! আমি ! আমার জন্যেই হ’ল তা জানো ? ওকে আমি মেজাদার কাছে না নিয়ে গেলে কি মা হুকুম তি ! ছোড়দা, তোমার কলের লাটুট। কিন্তু আমাকে দিতে হবে, তা বলে দিচ্ছি। আচ্ছা দিলুম। নিয়ে যা আমার ডেস্ক থেকে, বলিয়া ছোড়া তৎক্ষণাং হুকুম দিয়া ফেলিল। কিন্তু এই লাটুটা বোধ করি সে ঘণ্ট-খানেক পূৰ্ব্বে পৃথিবীর বিনিময়েও দিতে পারিত না ? এমনিই মানুষের স্বাধীনতার মূল্য । এমনিই মানুষের ব্যক্তিগত ন্যায্য অধিকার লাভ করার আনন্দ আজ আমার কেবলই মনে হইতেছে—শিশুদের কাছেও তাহার কুৰ্ম্মল্যত একবিন্ধু কম নয়! মেজদা তাহার অগ্রজের অধিকারে স্বেচ্ছাচারে ছোটদের সমস্ত অধিকার গ্রাস করিয়া বসিয়াছিল, তাহাকেই ফিরিয়া পাইবার সৌভাগ্যে ছোড়দা তাহার প্রাণত্যুল্য প্রিয়বস্তুটিকেও অসঙ্কোচে হাতছাড়া করিয়া ফেলিল । বস্তুতঃ মেজদার অত্যাচারের আর সীমা ছিল না ; রবিবারে স্থপুর রৌদ্রে এক মাইল পথ হাটিয়া তাহার তাস খেলার বন্ধু ডাকিয়া আনিতে হইত। গ্রীষ্মর ছুটির দিনে তাহার দিবানিদ্রার সমস্ত সময়টা পাখার বাতাস করিতে হইত। শীতের রাত্রে তিনি লেপের মধ্যে হাত-পা ঢুকাইরা কচ্ছপের মত বসিয়া বই পড়িতেন, আর আমাদিগকে কাছে বসিয়া তাহার বহির পাতা উন্টাইয়া দিতে হইত -এমৃনি সমস্ত অত্যাচার ! অথচ "না বলিবার জো নাই, কাহারও কাছে অভিযোগ করিবার সাধ্য পৰ্য্যস্ত নাই। ঘূণাক্ষরে জানিতে পারিলেও তৎক্ষণাৎ ছকুম করিয়া বলিতেন, কেশব, তোমার জিয়োগ্রাফি আনো, পুরানো পড়া দেখি। যতীন, যাও ; একটা ভাল দেখে ঝাউয়ের ছড়ি ভেঙে আনে। অর্থাৎ প্রহার আনিবার্ধ্য। অতএব আনঙ্গের মাত্রাও যে ইহাঙ্গের বাড়াবাড়িতে গিয়া পড়িবে, ইহাও पञां★कृ८६jग्न वेिदङ्ग नब्र । কিন্তু সে মৃতই হোক, আপাততঃ তাহাকে স্থগিত রাধা আবশ্যক, কারণ স্কুলের সময় হইতেছে। আমার জর—সুতরাং কোথাও মাইতে হইবে না। মনে পড়ে সেই রাজেই জরটা প্রবল হইয়াছিল এবং সাত-আট দিন পর্ষ্যণ্ড अबTांब्रड हिलॉम ।