প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (প্রথম সম্ভার).djvu/৫৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ চলিয়াছি, কিন্তু কেন জানি না, আজ আমার ভয়ের কথাও মনে আসিল না। বোধ করি, মন আমার এমৃনি বিহবল আচ্ছন্ন হুইয়াছিল যে, এত রাত্রে কেমন করিয়া বাড়ি ঢুকিব এবং ঢুকিলেও যে কি দশা হইবে, সে চিন্তাও মনে স্থান পাইল না। প্রায় শেযরাত্রে নৌকা আসিয়া ঘাটে লাগিল। আমাকে নামাইয়া দিয়া ইন্দ্র কহিল, বাড়ি যা শ্ৰীকান্ত ! তুই বড় অপয়া ! তোকে সঙ্গে নিলেই একটা-নাএকটা ফ্যাসা বাধে। আজ থেকে তোকে আর আমি কোন কাজে ডাকব না— তুইও আর আমার সাম্নে আসিস্লে। যা ! বলিয়া সে গভীর জলে নৌকা ঠেলিয়া দিয়া দেখিতে দেখিতে বাকের মুখে অদৃত হইয়া গেল। আমি বিষ্মিত, ব্যথিত, স্তব্ধ হইয়া নির্জন নদীতীরে একাকী দাড়াইয়া রহিলাম। رسانی নিস্তব্ধ গভীর রাত্রে মা-গঙ্গার উপকুলে ইন্দ্র যখন আমাকে নিতান্ত অকারণে একাকী ত্যাগ করিয়া চলিয়া গেল, তখন কান্না আর সামলাইতে পারিলাম না। তাহাকে ষে ভালবাসিয়াছিলাম, সে তাহার কোন মুল্যই দিল না। পরের বাড়ির ষে কঠিন শাসনপাশ উপেক্ষা করিয়া তাহার সঙ্গে গিয়াছিলাম, তাহারও এতটুকু মৰ্য্যাদা রাখিল না। উপরন্তু অপয়া অকৰ্ম্মণ্য বলিয়া একান্ত অসহায় অবস্থায় বিদায় দিয়। স্বচ্ছন্দে চলিয়া গেল। তাহার এই নিষ্ঠুরতা, আমাকে ষে কত বিধিয়াছিল, তাহ বলিবার চেষ্টা করাও বাহুল্য। তারপরে অনেকদিন সেও আর সন্ধান করিল না, আমিও না। দৈবাৎ পথে-ঘাটে যদি কখনও দেখা হইয়াছে, এমনি করিয়া মুখ ফিরাইয়া আমি চলিয়া গিয়াছি, যেন তাহাকে দেখিতে পাই নাই। কিন্তু আমার এই যেন’টা জামাকেই শুধু সারাদিন তুষের আগুনে দগ্ধ করিত, তাহার কতটুকু ক্ষতি করিতে পারিত ? ছেলেমহলে সে একজন মস্ত লোক । ফুটবল-ক্রিকেটের দলে কৰ্ত্তা, জিমৃষ্ঠাস্টীকে আখড়ার মাস্টার । তাহার কত অম্লচর, কত ভক্ত ! আমি ত তাহার তুলনায় কিছুই নয়। তবে কেনই বা ছুদিনের পরিচয়ে আমাকে সে বন্ধু বলিয়া ডাকিল, কেনই বা বিসর্জন দিল । কিন্তু সে যখন দিল, তখন আমিও টানাটানি করিয়া বাধিতে গেলাম না। আমার বেশ মনে পড়ে, আমাদের সঙ্গী-সাথীরা যখন ইঞ্জের উল্লেখ করিয়া তাহার সম্বন্ধে নানাবিধ অদ্ভূত আশ্চৰ্য গল্প শুরু করিয়া দিত, আমি চুপ করিয়া গুনিতাম। একটা কথার দ্বারাও কখনও ইহা প্রকাশ করি নাই ষে, সে আমাকে চিনে, কিংবা অামি তাহার णदएक cकांत्र कथा छiनि । cगरे वञ्चरणहे जोधि cकभन कब्रिब्रॉ cबब छांबिरज too