প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (প্রথম সম্ভার).djvu/৭৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শ্রীকান্ত কুমার প্রশ্ন করিলেন, কি হে ঐকান্ত, তুমি যে বড় চুপচাপ ? ও কি, বস্থক রেখে দিলে ষে । আমি পাধি মারি না । সে কি হে ? কেন, কেন ? আমি গোঁফ ওঠবার পর থেকে আর ছত্ত্বর দেওয়া বন্দুক ছুড়িনি—ও আমি তুলে গেছি । কুমারসাহেব হাসিয়াই খুন। কিন্তু সে হাসির কতটা দ্রব্যগুণে, সে কথা অবস্ত আলাদা । স্বরযুর চোখ-মুখ আরক্ত হইয়া উঠিল। তিনিই এ দলের প্রধান শিকারী এবং রাজপুত্রের প্রিয় পার্শ্বচর। তাহার অব্যৰ্থ লক্ষ্যের খ্যাতি আমি আসিয়াই গুনিয়াছিলাম। ক্লষ্ট হইয়া কহিলেন, চিড়িয়া শিকারমে কুছ সরম.হায় ? 哆 আমারও মেজাজ ত ভাল ছিল না ; সুতরাং জবাব দিলাম, সবাইকার নেহি হায়, কিন্তু আমার হায়! যাকৃ আমি তাঁবুতে ফিরিলাম-কুমারসাহেব, আমার শরীরটা ভাল নেই,—বলিয়া ফিরিলাম। ইহাতে কে হাসিল, কে চোখ ধুৱাইল, কে মুখ ভাঙাইল, তাহা চাহিয়াও দেখিলাম না । তখন সবেমাত্র তাবুতে ফিরিয়া ফরাসের উপর চিং হইয়া পড়িয়াছি, এবং আর এক পেয়ালা চা আদেশ করিয়া একটা সিগারেট ধরাইয়াছি, বেয়ারা আসিয়া সসন্ত্রমে জানাইল, বাইজী একবার সাক্ষাৎ করিতে চায় । ঠিক এইটি আশাও করিতেছিলাম, আশঙ্কাও করিতেছিলাম। জিজ্ঞাসা করিলাম, কেন সাক্ষাৎ করিতে চায় ? তা’ জানিনে । তুমি কে ? আমি বাইজীর খান্‌সামা। তুমি বাঙ্গালী ? আজ্ঞে হা—পরামাণিক । নাম রতন । বাইজী হিন্দু ? রতন হাসিয়া বলিল, নইলে থাকব কেন বাৰু ? আমাকে সঙ্গে করিয়া আসিয়া তাবুর দরজা দেখাইয়া দিয়া রতন সরিয়া গেল। পর্দা তুলিৰ ভিতরে ঢুকিয়া দেখিলাম, বাইজ একাকিনী প্রতীক্ষা করিয়া বলিয়া আছে । কাল রাত্রে পেশোয়াজ ও ওড়নায় ঠিক চিনিতে পারি নাই ; আজ দেধিম্বাই টের পাইলাম, বাইজী যেই হোক, বাঙ্গালীর মেয়ে বটে। একধও ఆు