প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (সপ্তম সম্ভার).djvu/১০৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


श्रृंहनांझ् করিয়া পূৰ্ব্ব-প্রসঙ্গের স্বত্র ধরিয়া কছিল, আপনি আমারও বন্ধু—শুধু বন্ধই বা কেন, আমাদের যা করেচেন, তাতে আপনি আমার পরমাষ্ট্ৰীয় । এমন করে চলে গেলে আমার লজ্জার সীমা থাকবে না। আজ আপনাকে ত আমি কোনমতেই ছেড়ে দিনে পারব না। স্বরেশ শুষ্ক হাসি হাসিয়া কহিল, শোন কথা মহিম ! তোমাদের দেখতে এসেছিলুম, দেখে গেলুম, ব্যাস। কিন্তু এ জঙ্গলের মধ্যে আমাকে অনর্থক বেশিদিন ধরে রেখে তোমাদেরই বা লাভ কি, আর আমারই বা কষ্ট সহ করে ফল কি বল ? মহিম ধীরভাবে জবাব দিল, বোধ করি রাগ করে চলে যাচ্ছিলে, কিন্তু সেটা উনি পছন্দ করেন না । অচলা তীক্ষ-কণ্ঠে কহিল, তুমি পছন্দ কর নাকি ? মহিম জবাব দিল, আমার কথা ত হচ্ছে না । স্বরেশ মনে মনে অত্যন্ত উৎকণ্ঠিত হইয়া উঠিল । তাই এই অপ্রিয় আলোচনা কোনমতে থামাইয়া দিবার জন্য প্রফুল্লতার ভান করিয়া সহস্তে কহিল, এ কি মিথ্যে অপবাদ দেওয়া ! রাগ করব কেন হে, আচ্ছা লোক ত তোমরা ! বেশ, খুণীই যদি হও, আরও দু-একদিন না হয় থেকেই যাবো। বৌঠান, কাপড়গুলো আর তুলে কাজ নেই, বের করেই ফেলে। মহিম, চল হে, তোমাদের পুকুর থেকে আজ স্নান করেই আসা যাক ; তার পরে বাড়ি গিয়ে না হয় একশিশি কুইনিনই গেলা যাবে। চল, বলিয়া মহিম জামা-কাপড় ছড়িবার জন্য ঘর হইতে বাহির হইয়া গেল । ՖԵ যাহারা নূতন জুতার স্বতীয় কামড় গোপনে সহা করিয়া বাহিরে স্বচ্ছন্দতার ভান করে ঠিক তাদের মতই স্বরেশ সমস্ত দিনটা হাসিখুশীতে কাটাইয়া দিল ; কিন্তু আর একজন, যাহাকে আরও গোপনে এই দংশনের অংশ গ্রহণ করিত হইল, সে পারিল না। স্বামীর অবিচলিত গাম্ভীর্য্যের কাছে এই কদাকার ভাড়ামিতে, এত বেহায়াপনায় তাহার ক্ষোভে অপমানে মাথা খুড়িয়া মরিতে ইচ্ছা করিতে লাগিল। তাহাকে সে আজও হৃদয়ের দিক হইতে চিনিতে না পারিলেও বুদ্ধির দিক হইতে চিনিয়াছিল। সে স্পষ্ট দেখিতে লাগিল, এই তীক্ষ-ধীমান অল্পভাষী লোকটির কাছে এ অভিনয় একেবারেই ব্যর্থ হইয়া যাইতেছে, অথচ লজ্জার কালিমা প্রতি মুহূর্তেই যেন ኸውጫ כיצ-sר