প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (সপ্তম সম্ভার).djvu/১২১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


शृंझन्नांझ জানিতেন ; কিন্তু সকাল হইয়া গিয়াছে—চারিদিকে কৌতুহলী লেকি; অচলা আপনাকে সংযত করিয়া লইয়া কহিল, পান্ধী কেন ? মহিম কহিল, নটার ট্রেন ধরতে পারলেই ত সবদিকে স্ববিধে। একটার মধ্যে বাডি পৌছে স্নানাহার করতে পারবে। কাল রাত্রেও ত কিছু খাওনি । আর তুমি ? আমি ! মহিম আর একটুখানি চিন্তা করিয়া লইয়া বলিল, আমারও যা হোক একটা উপায় হবে বৈ কি । তা হলে আমারও হবে । আমি যাবো না। কি উপায় হবে বল । অচলা এ-প্রশ্নের উত্তর দিতে পারিল না । একবার তাহার মুখে আসিল—বনে গাছতলায় ! কিন্তু সে ত সত্যই সম্ভব নয় । আর পাড়ায় কাহারও বাটীতে একটা ঘন্টার জন্যও আশ্রয় লওয়া যে কত অপমানজনক, সে ইঙ্গিত ত সে এইমাত্র ভাল করিয়াই পাইয়াছে। মৃণালের কথা যে তাহার মনে পড়ে নাই, তাহা নহে ; বারংবার স্মরণ হইয়াছে ; কিন্তু লজ্জায় তাহা মুখ দিয়া উচ্চারণ করিতে পারিল না। কিছুক্ষণ মৌন থাকিয়া কহিল, তুমিও সঙ্গে চল । মহিম আশ্চৰ্য্য হুইয়া বলিল, আমি সঙ্গে যাবো ? তাতে লাভ কি ? অচলা বলিল, লাভ-লোকসান দেখবার ভার আজ থেকে আমি নেব । তোমার শুভানুধ্যায়ী এখানে বেশি নেই, সে আমি জানতে পেরেচি । তা ছাড়া, তোমার মুখের চেহারা এক রাত্রির মধ্যেই যা হয়ে গেছে, সে তুমি দেখতে পাচ্ছে না, আমি পাচ্ছি। আমার গলায় ছুরি দিলেও, এখানে তোমাকে একলা ফেলে রেখে আমি যেতে পারবো না । মহিমের মনের ভিতর তোলপাড় করিতে লাগিল ; কিন্তু সে স্থির হইয়া রহিল। অচলা বলিতে লাগিল, কেন তুমি অত ভাষচ ? আমার গয়নাগুলো ত আছে। তা দিয়ে পশ্চিমে যেখানে হোক কোথাও একটা ছোট বাড়ি অনায়াসে কিনতে পারবো। যেখানে থাকি, আমাকে না খেতে দিয়ে মেরে ফেলতে তুমি পারবে না। সে চেষ্টা তোমাকে করতেই হবে । আর বলেইচি ত তোমার ভার এখন থেকে আমার ওপর । যন্ত্র অদূরে আসিয়া জিজ্ঞাসা করিল, পান্ধী আনতে যাবে মা ? উত্তরের জন্ত অচলা উৎসুক চক্ষে স্বামীর মুখের পানে চাহিয়া রহিল। মহিম ইহার জবাব দিল । যছকে আনিতে হুকুম করিয়া স্ত্রীকে বলিল, আমি ত এখুনি যেতে পারিনে । শুনিয়া অনিৰ্ব্বচনীয় শান্তি ও তৃপ্তিতে অচলার বুক ভরিয়া গেল। সে অন্তরের } \e e «س-۹