প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (সপ্তম সম্ভার).djvu/১৪৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


शृशांश् লক্ষ্য না করিয়া সায় দিয়া আবেগের সহিত বলিয়া উঠিল, আমি কখনো এমনটি জার দেখিনি কেদারবাৰু এমন মিষ্টি কথাও কখনো শুনিনি, এমন নিপুণ কাজ-কৰ্মও কখনো দেখিনি। যে কাজ দাও এমন অপূৰ্ব্ব দক্ষতার সঙ্গে করে দেবে যে, মনে হবে যেন এই নিয়েই সে চিরকালটা আছে। অথচ আশ্চর্ষ্য এই যে, কোনদিন গ্রামের বাইরে পর্য্যন্ত যায় নি । কেদারবাৰু ইহা সত্য বলিয়া জানিলেও বিস্ময় প্রকাশ করিয়া কছিলেন, বল কি স্বরেশ । সুরেশ কহিল, যাথার্থ-ই তাই। ওর পানে চেয়ে চেয়ে মাঝে মাঝে মনে হতো, এই যে জন্মাস্তরের সংস্কার বলে একটা প্রবাদ আছে, কি জানি সত্যি না-কি। বলিয়া হাসিতে লাগিল । পংকাল-সম্বন্ধীয় প্রসঙ্গে কেদারবাবু চিন্তাযুক্ত মুখে কিছুক্ষণ স্থিরভাবে থাকিয়া সহসা বলিয়া উঠিলেন, তা সে যাই হোক, এ কয়দিন দেখে দেখে আমার নিশ্চয় বিশ্বাস হয়েচে, এ মেয়ে স্ত্রীলোকের মধ্যে অমূল্য রত্ন । একে সারাজীবন এমন জীবন্মত করে রাখা শুধু পাপ নয়, মহাপাপ। ও আমার মেয়ে হলে আমি কোনমতেই নিশ্চেষ্ট হয়ে থাকতে পারতুম না । স্বরেশ আশ্চর্ধ্য হইয়া জিজ্ঞাসা করিল, কি করতেন ? বৃদ্ধ উদ্দীপ্তশ্বরে বলিলেন, আমি আবার বিবাহ দিতুম । একটা বুড়োর সঙ্গে বিয়ে দিয়ে ওর ওই উনিশ-কুড়ি বছর বয়সে যারা ওকে সন্ন্যাসিনী সাজিয়েচে, তারা ওর মিত্র নয়, ওর শত্রু । শত্রুর কার্য্যকে আমি কোনমতেই ন্যায়সঙ্গত বলে স্বীকার করে নিতুম না। একটু মৌন থাকিয়া পুনরায় কহিতে লাগিলেন, তাছাড়া ওর স্বামীর ব্যবহারটাই একবার মনে করে দেখ দিকি স্বরেশ । সে লোকটার দু-দুটো স্ত্রী গত হতে পঞ্চাশ বছর বয়সে যখন এমন মেয়েকে বিবাহ করতে রাজি হ’লে তখন নিজের স্বখ-স্থবিধে ভিন্ন স্ত্রীর ভবিষ্যতের দিকে পাষণ্ড কতটুকু দৃষ্টিপাত করেছিল, কল্পনা কর দেখি ! মুয়েশকে নিরুত্তর দেখিয়া বৃদ্ধ অধিকতর উত্তেজিত হইয়া উঠিলেন। কহিলেন, ন সুরেশ, আমি বিধবা-বিবাহের ভালমন্দ তর্ক তুলচিনে । কিন্তু এ-ক্ষেত্রে তোমার সমস্ত হিন্দুসমাজ চীৎকার কয়ে মলেও আমি মানবে না, এই ব্যবস্থাই ওই দুধের মেয়েটার পক্ষে চরম শ্ৰেয়: ওর এমন এতটুকু কিছু নেই যার মুখ চেয়ে ও একটা দিনও কাটাতে পারে। সমস্ত জীবনটা কি তোমরা খেলার জিনিস পেয়েছ স্বরেশ যে, DBB BBB BB TkBB BBSS BBBS L BBB BBBB DBB DDD তপোবন হয়ে উঠবে। মেয়েটার শুধু কাপড়-চোপড়ের পানে চাইলে আমার বুক যেন ফেটে যেতে থাকে । NED