প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (সপ্তম সম্ভার).djvu/১৪৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


अंब्र९-नाश्छिा-नxaहै স্বরেশ জবাবও দিল না, মুখ তুলিয়াও চাহিল না ; কিন্তু চোখের কোণে দেখিতে পাইল যে ; চৌকাঠে ভর দিয়া অচলা এতক্ষণ পৰ্যন্ত মূৰ্ত্তির মত দাড়াইয়াছিল—সেখানে আর সে নাই, কখন নিঃশব্দে ঘরের ভিতরে চলিয়া গেছে। মৃণাল চলিয়া গেলে, অচলা যখনই স্বরেশের মুখের দিকে চাহিয়া দেখে, তখনই তাহার মনে হয়, সে বিমনা হইয়া আছে এবং কিসের শোক যেন তাহাকে নিরন্তর শুষ্ক করিয়া ফেলিতেছে । দিন-দুই পরে একদিন অপরান্ত্রে স্বরেশ নীচের বারাদার একধারে রৌদ্রের মধ্যে আরাম-কেদারাটা টানিয়া লইয়া কি একথানা বই পড়িতেছিল, পদশকে চাহিয়া দেখিল তাহারই জন্য চা লইয়া অচলা নিজে আলিতেছে। এরূপ ঘটনা পূৰ্ব্বে কোনদিন ঘটে নাই , তাই সে আশ্চৰ্য্য হইয়া সোজা উঠিয়া বসিয়া জিজ্ঞাসা করিল, বেয়ারা কৈ ? श्रांज छूभि cष ! অচলা এ-প্রশ্নের উত্তর না দিয়াই একটা ছোট টিপায় চেয়ারের পাশে টানিয়া চায়ের বাটি নামাইয় এবং আর একখানা চেয়ার টানিয়া লইয়। নিজেও বসিয়া পড়িল । এই অভিনব আচরণে তাহাকে দ্বিতীয় প্রশ্ন করিতে আর স্বরেশের সাহস হইল না । শুধু চায়ের পেয়ালাটা নীরবে হাতে তুলিয়া লইল । কিছুক্ষণ স্তব্ধভাবে বসিয়া থাকিয়া অচলা মৃদুকণ্ঠে জিজ্ঞাসা করিল, আচ্ছা স্বরেশবাবু, আপনি কি বিধবা-বিবাহ কোন ক্ষেত্রেই ভাল বলে মনে করেন না ? স্বরেশ চায়ের বাটি হইতে মুখ না তুলিয়াই জবাব দিল, করি। তার কারণ, কুসংস্কার আজও আমার অতদূর পর্যন্ত পৌঁছায়নি। অচলা চিন্তা করিবার নিজেকে আর মুহূৰ্ত্ত অবসর না দিয়া বলিল, তা হলে মৃণালের মত মেয়েকে বিবাহ করতে আপনার ত লেশমাত্র আপত্তি থাকা উচিত নয় । স্বরেশ চায়ের চাটিটা হাতে করিয়া শক্ত হইয়া বসিয়া বলিল, এ কথার মানে ? অচলার মুখে বা কণ্ঠস্বরে কোনরূপ উত্তেজনা প্রকাশ পাইল না। বেশ সহজভাবে বলিল, আপনার কাছে আমি অসংখ্য ঋণে ঋণী। তা ছাড়া আমি আপনার হিতাকাছিপী । আপনাকে আমি মুম্ব, সহজ, সংসারী এবং স্বাভাবিক দেখতে চাই । একদিন আপনি বিবাহ করতে প্রস্তুত ছিলেন, আজ আমার একান্ত অঙ্কুরোধ, আপনি স্বীকার করুন । এক নিশ্বাসে মুখস্থর মত এতগুলো কথা বলিয়া অচলা যেন ইপিাইতে লাগিল। স্বরেশ পাথরে-গড়া মূৰ্ত্তির মত অনেকক্ষণ স্থির হইয়া বসিয়া থাকিয়া শেষে কছিল, এতে তুমি কি সত্যই স্বধী হবে ? }so e