প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (সপ্তম সম্ভার).djvu/২০১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গৃহদাহ ইপিয়ে ওঠে । তাই ভাবলাম মিথ্যে-ীিথ্যে বলে মাকে একটু রাগিয়ে দিয়ে ছুটে গল্প করি গে, কিন্তু ছল ধরা পড়ে গেল। বলিয়া তিনি ঝুঁকিয়া পড়িয়া ছ’কাটার জন্য একবার হাতটা বাড়াইয়া দিলেন। তিনি যে যাইবার জন্য এটি সংগ্ৰহ করিতেছেন অচলা তাহা বুঝিল এবং নীচে গিয়া একাকী এই বৃদ্ধের যে অনেক দুঃখেই সময় কাটিবে, তাহ উপলব্ধি করিয়া তাহার চিত্ত ব্যথিত হইয়া উঠিল । তাই সে চকিতের ন্যায় চৌকি ছাড়িয়া উঠিয়া নিজেই তাহা তুলিয়া লইয়া বৃদ্ধের প্রসারিত হস্তে দিতে দিতে বলিল, আপনি যত খুশি তামাক খেতে চান, এইখানে ব’সে খান, কিন্তু এখন উঠে যেতে আপনাকে আমি কিছুতে দেব না । বৃদ্ধ হুক হাতে লইয়া হাসিয়া বলিলেন, ওরে বাপ রে, একদম অতখানি রাশ টিলে দিও না মা, আখের সমলাতে পারবে না। আমার মুখ-বুজে তামাক খাওয়া যে কি ব্যাপার, তা ত দেখনি! তার চেয়ে বরঞ্চ একটু-আধটু বলতে দাও যে— মানুষের দম আটকে না যেতে পায়, না জ্যাঠামশাই ? আচ্ছা, তাই ভাল । কিন্তু কি নিয়ে বকুনি শুরু করবেন বলুন ত ? রামবাবু মুখ হইতে একগাল ধুয়া উপরের দিকে মুক্ত করিয়া দিয়া কহিলেন, তবেই মুস্কিলে ফেললে মা। মহা-বক্তার লোককেও এ-প্রশ্ন করলে তার মুখ বন্ধ হয়ে আসে যে ! - * * আচ্ছা জ্যাঠামশায়, কোনদিন যদি জানতে পারেন, জোর করে যার হাতে আজ ভাত খেয়েচেন, তার চেয়ে নীচ, তার চেয়ে ঘৃণিত পৃথিবীতে আর কেউ নেই, তখন কি করবেন ? প্রায়শ্চিত্ত ? আর শাস্ত্রে যদি তার বিধি পৰ্য্যন্ত না থাকে, তা হ’লে ? বৃদ্ধ বলিলেন, তা হলে ত ল্যাঠা চুকেই গেল মা, প্রায়শ্চিত্ত আর করতে হবে না । কিন্তু আমার উপর তখন কি-রকম ঘৃণাই না আপনার হবে । কখন মা ? যখন টের পাবেন, আমার একটা জাত পৰ্য্যস্ত নেই। রামবাৰু ই কাটা মুখ হইতে সরাইয়া লইয়া সেই অস্পষ্ট আলোকেই ক্ষণকাগ তাহার মুখের প্রতি চাহিয়া থাকিয় ধীরে ধীরে বলিলেন, তোমাদের এই কথাটা আমি কিছুতেই বুঝে উঠতে পারিনে মা। আর তোমাদের’ বলি কেন, জানো স্বরম, আমার নিজের ছেলের মুখ থেকেও এ নালিশ শুনেচি। সে ত স্পষ্টই বলে, এই খাওয়া-ছোয়া বাচ-বিচার থেকেই সমস্ত দেশটা ক্রমাগত সৰ্ব্বনাশের দিকে তলিয়ে যাচ্ছে। কারণ, এর মূলে আছে ঘৃণা, এবং স্বশার ভিতর দিয়ে কোনদিন ८कांन राष्ट्र कण लीeद्रां वांब्र मां । ১৯৩