প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (সপ্তম সম্ভার).djvu/২৪০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


* भंव्र६-भांश्ठिा-म९diश् পানে চাহিয়া সমস্ত অন্তর তাহার বিধে নয়, অকস্মাং বিশ্বয়ে পরিপূর্ণ হইয়া উঠিল। ওই লোকটির ওষ্ঠের কোণে তখনও একটুখানি হাসির রেখা ছিল—অত্যন্ত ক্ষীণ, কিন্তু সেইটুকু হাসির মধ্যেই যেন অচলা বিশ্বের সমস্ত বৈরাগ্য ভরা রহিয়াছে দেখিতে পাইল। মুখে তাহার উদ্বেগ নাই, এই যে মৃত্যুর মধ্যে গিয়া নামিয়া দাড়াইতে যাত্রা করিয়াছে—তথাপি মুখের উপর শঙ্কার চিহ্নমাত্র নাই। তবে এই নিরীশ্বর ঘোর স্বার্থপরের কাছেও কি তাহার নিজের প্রাণটা এতই সন্তা ! সংসারে ভোগ ছাড়া যে লোক আর কিছুই বুঝে না—ভোগের সমস্ত আয়োজনের মধ্যে মগ্ন রহিয়াও কি বঁচিয়া থাকাটা তাহার এমনি অকিঞ্চিংকর, এমনি অবহেলার বস্তু যে, এতই সহজে সমস্ত ছাড়িয়া যাইতে এক নিমিবে প্রস্তুত হইয়া দাড়াইল ? হয়ত না ফিরতেও পারি। ইহা অার যাহাই হোক, পরিহাস নয় । কিন্তু কথাটা কি এতই সহজে বলিবার ? অকস্মাং ভিতরের ধাক্কায় সে যেন চঞ্চল হইয়া উঠিল, হাতের কাগজখানা দেখাইয়া প্রশ্ন করিল, এটা কি তোমার উইল ? সুরেশও প্রশ্ন করিল, যা এইমাত্র ভিক্ষে দিলে অচলা, তাই কি তবে ফিরে নিতে চাও ? অচলা একটুখানি চুপ করিয়া থাকিয়া কহিল, আচ্ছা আমি জানতে চাইনে। কিন্তু আমি তোমাকে যেতে দিতে পারবো না । কেন ? প্রত্যুত্তরে অচলা এই খামখানাই পুনরায় নাড়াচাড়া করিয়া একটু ইতন্ততঃ করিয়া বলিল, তুমি আমার যাই কেন না করে থাকে, আমার জন্তে তোমাকে আমি भद्भ८ष्ठ ८ट्राँ न ! স্বরেশ জবাব দিল না। অচলা নিজের কথায় একটু লজ্জা পাইয়া কথাটাকে হাৰা করিবার জন্য পুনশ্চ কহিল, তুমি বলবে, তোমার জন্তে মরতে যাবো কোন দুঃখে, আমি যাচ্ছি গরীবদের জন্য প্রাণ দিতে, বেশ তাও আমি দেব না। কথাটা শুনিয়াই দপ করিয়া স্বরেশের মহিমকে মনে পড়িল এবং বুকের ভিতর হইতে একটা নিশ্বাস উখিত হইয়া গুৰু ঘরের মধ্যে ছড়াইয়ু পড়িল । কারণ জীবনের মমতা যে কত তুচ্ছ এবং কতই না সহজ, ইহাকে সে বিসর্জন দিতে প্রস্তুত হইতে পারে, তাহার একটিমাত্র সাক্ষী আজও অাছে, সে কেবল মহিম । আজিকার ७३ याबाहे यनेि डांशव्र यशयाज श्ञ्च उ ८ग३ गत्रिशैन ७काख नौइव मांश्वग्निई কেবল মনে মনে বুঝিবে, স্বরেশ লোভে নয়, ক্ষোভে নয়, স্বশায় নয়-ইহকালপরকাল কোন কিছুর আশাতে প্রাণ দেয় নাই, সে মরিয়াছে শুধু কেবল মরণটা জাসিয়াছিল বলিয়াই । & 98