প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (সপ্তম সম্ভার).djvu/৩৬৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰহ এ-সকল স্থল সত্য কথা । স্বতরাং আশা করি, এতক্ষণ স্বাহ বলিয়াছি, সে সম্বন্ধে বিশেষ কাহারো মতভেদ হইবে না। 始 যদি না হয়, তবে একথাও স্বীকার করিতে হইবে যে, মনু-পরাশরের হাত দিয়াই যদি হিন্দুর অবনতি পৌঁছিয়া থাকে ত উন্নতিও তাহাদের হাত দিয়াই পাইতে হইৰে— অস্ত কোন জাতির সামাজিক বিধি-ব্যবস্থা, তা সে যত উন্নতই হউক, হিন্দুকে কিছুই দিতে পারিবে না। তুলনায় সমালোচনায় দোষগুণ কিছু দেখাইয়া দিতে পারে, এইমাত্র। . কিন্তু যে-কোন বিধি-ব্যবস্থা হউক, যাহা মাহবকে শাসন করে, তাহার দোষগুণ কি দিয়া বিচার করা যায় ? তাহার স্থখ-সৌভাগ্য দিবার ক্ষমতা দিয়া, কিংবা তাহার বিপদ ও দুঃখ হইতে পরিত্রাণ করিবার ক্ষমতা দিয়া ? Sir William Markly তাহার Elements of Law &g zoo-"The value is to be measured not by the happiness which it procures, but by the misery from which it preserves us.” আমিও ইহাই বিশ্বাস করি। সুতরাং মন্থ-পরাশরের বিধি-ব্যবস্থা, আমাদের কি সম্পদ দান করিয়াছে, সে তর্ক তুলিয়া নয়, কি বিপদ হইতে রক্ষা করিয়া আসিয়াছে, শুধু সেই আলোচনা করিয়া সমাজের দোষগুণ বিচার করা উচিত। অতএব, আজও যদি আমাদের ঐ মনু-পরাশরের সংস্কার করাই আবগুক হুইয়া থাকে, তবে ঐ ধারা ধরিয়াই করা চাই। স্বৰ্গই হউক আর মোক্ষই ইউক, সে কি দিতেছে, সে বিচার করিয়া নয়, বরঞ্চ সব বিপদ হইতে আজ আর সে আমাদিগকে রক্ষা করিতে পারিতেছে না, শুধু সেই বিচার করিয়া। স্বতরাং, হিন্দু যখন উপর দিকে চাহিয়া বলেন, ঐ দেখ আমাদের ধৰ্ম্মশাস্ত্র স্বর্গের কবাট সোজা খুলিয়া দিয়াছেন, আমি তখন বলি—সেটা না হয় পরে দেখিয়ো, কিন্তু আপাতত: নীচের দিকে চাহিয়া দেখ, নরকে পড়িবার দুয়ারটা সম্প্রতি বন্ধ করা হইয়াছে কি না! কারণ, এটা ওটার চেয়েও আবখক! সহস্র বর্ষ পূৰ্ব্বে হিন্দুশাস্ত্র স্বৰ্গপ্রবেশের যে সোজা পথটি আবিষ্কার করিয়াছিলেন, সে পথটি আজও নিশ্চয় তেমনি আছে। যেখানে পৌঁছিয়া একদিন সেইরূপ আমোদ উপভোগ করিবার আশা করা বেশি কথা নয়—কিন্তু, নানা প্রকার ৰিজাতীয় সভ্যতা অসভ্যতার সংঘর্ষে ইতিমধ্যে নীচে পড়িয়া পিষিয়া মরিবার যে নিত্য নূতন পথ খুলিয়া যাইতেছে, সেগুলি ঠেকাইবার কোনরূপ বিধি-ব্যবস্থা শাস্ত্রগ্রন্থে আছে কি না, সম্প্রতি তাহাই খুজিয়া দেখ। যদি না থাকে, প্রস্তুত কর ; তাহাতে দোষ নাই ; বিপদে রক্ষা করাই ত আইনের কাজ। কিন্তু উদ্দেশ্য ও আবশ্বক যত বড় হউক, ‘প্রস্তুত শব্দটা শুনিবামাত্রই হয়ত পণ্ডিতের দল চেঁচাইয়া উঠিবেন । আরে এ বলে কি ! এ কি যার-তার শাস্ত্র যে, আবশ্বকমত দুটো কথা বানাইয়া লইব ? এ ষে হিন্দুর শাস্ত্রগ্রন্থ! আপৌরুষেয়—অন্ততঃ ঋষিদের তৈরী, ধারা ভগবানের রূপায় फूउ-डबिकृ९ जयख्न जानिम्न-छनिम्न जिथिग्रा ब्रिाप्झन । रूि ७-कथा उँच्च वर्ष \o o