প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (সপ্তম সম্ভার).djvu/৩৭৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অপ্রকাশিত রচনাবলী পাওয়াই ত উচিত। কিন্তু কে উড়াইয়া দিতেছে এবং দিবার প্রয়োজনই বা কি হইয়াছে, তাহা ত বুঝা গেল না! ব্রাহ্মণ পুরোহিত—বেশ ত! পুরোহিতের কাজ যিনি করিতেন, তাহাকেই ব্রাহ্মণ বলা হইত। যজন-যাজন করিলে ব্রাহ্মণ বলিত ; যুদ্ধ, রাজ্য-পালন করিলে ক্ষত্রিয় বলিত-এ কথা ত তাহারা কোথাও অস্বীকার করেন নাই। আদালতে বসিয়া যাহারা বিচার করেন, তাহাদিগকে জজ বলে, উকিল বলে। ঐযুক্ত গুরুদাসবাবু যখন ওকালতি করিতেন, তাহাকে লোকে উকিল বলিত, জজ হইলে জজ বলিত। ইহাতে আশ্চৰ্য্য হইবার আছে কি ? ব্রহ্মণ্যশক্তি বৈদিক যুগে রাজশক্তির নিয়ন্ত্রী ছিল। ইংরাজদের জামলে বড়লাট ও মেম্বারেরা তাহাই, স্বতরাং এই মেম্বারেরা রাজশক্তির নিয়ন্ত্রী ছিল বলিয়া একটা কথা যদি ভারতবর্ষের ইংরাজী ইতিহাসে পাওয়া যায় ত তাহাতে বিক্ষিত হইবার বা তর্ক করিবার আছে কি ? অথচ লাটের ছেলেরা লাটও হয় না, মেম্বার বলিয়াও কোন স্বতন্ত্ৰ জাতির অস্তিত্ব নাই। ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলের প্রাচীনতা-সম্বন্ধে শুনিতে পাই, নানাপ্রকারের মতভেদ আছে। এই সম্পর্কে অধ্যাপক ম্যাক্সমুলার একটি অতিবড় অপকৰ্ম্ম করিয়াছেন—তিনি লিখিয়াছেন—“কবৰ পুত্র হইয়াও দশম মণ্ডলের অনেকগুলি মন্ত্রের প্রণেতা (?) * দ্রষ্টা’ বলা তাহার উচিত ছিল! এই হেতু ভববিভূতিবাৰু ক্ষুব্ধ ও বিস্থিত হইয়া (?) চিহ্ন ব্যবহার করিয়াছেন। কিন্তু আমি বলি, বিদেশীর সম্বন্ধে অত খুটিনাটি ধরিতে নাই। কারণ, এই দশম মণ্ডলের ৮৫ স্বত্তে সোম ও স্বর্ঘ্যের বিবাহ বর্ণনা করিয়া তিনি নিজেই বলিয়াছেন, এমন পৃথিবীর মানুষের সঙ্গে "আকাশের গ্রহ-তারার সম্বন্ধ বাধিবার চেষ্টা জগতের আর কোন সাহিত্যে দেখা যায় কি ? এমন চেষ্টা জগতে আর কোন সাহিত্যে দেখা না যাইতে পারে ; কিন্তু কোন একটা উদ্দেশু সাধন করিবার অভিপ্রায়ে বৈদিক কবিকে ৰে শ্লোকটি বিশেষ করিয়া স্বষ্টি করিতে হইয়াছিল, তাহাকে বিদেশীয় কেহ যদি সেই কবির রচিত বলিয়া মনে করে, তাহাতে রাগ করিতে আছে কি ? কিন্তু সে যাই হোক, স্বক্তটি যে রূপকমাত্র, তাহ ভববিভূতিবাৰু নিজেই ইঙ্গিত করিয়াছেন। সুতরাং, স্পষ্টই দেখা যাইতেছে, অপৌরুষের বেদের অন্তর্গত সুক্তরাশির মধ্যেও এমন যুক্ত রহিয়াছে যাহা রূপকমাত্র, অতএব খাটি সত্য হইতে বাছিয়া ফেলা অত্যাবগুক। এই অত্যাবশ্বক কাজটি যাহাকে দিয়া করাইতে হইবে, সে বৰ কিন্তু বিশ্বাসপরায়ণতা বা ভক্তি নহে-সে মানুষের সংশয় এবং তর্কবুদ্ধি। অতএব ইচ্ছায় হোক, অনিচ্ছায় হোক, তাহাকেই সকলের উপর স্থান দান করিতেই হইবে । না করিলে মানুষ মানুষই হইতে পারে না । কিন্তু, এই মন্থন্তৰ छिब्रबि नशखरब षांरक नां-८गद्देवछ ऐशंe कब्रनों कब्रां चनडद मग्न ८ष, श्ब्रड ७हे •©©©