প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (সপ্তম সম্ভার).djvu/৪৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


श्रृंश्लाइ মতামতের ওপর আমার দেওয়াটা নির্ভর করচে না। নির্ভর করচে উীর নেওয়াট । এখন কি করে যে তিনি নেবেন, আমি তাই ভাবচি। বরং আমুন, এ সম্বন্ধে আমরা একটা পরামর্শ করি । মচলা মুখ তুলিয়া কহিল, বলুন । সুরেশ বলিতে লাগিল, দৈবাৎ অনেক টাকার মালিক আমি। অথচ টাকা-কড়ির উপর কোনদিন কোন মায়াই আমার নেই । চাজার-চারেক টাকা আমি স্বচ্ছন্দে হাতছাড়া করতে পারি। আর আপনার সুখের জন্য ত আরও ঢের বেশি পারি। তা যাক । এখন কথা এই যে, আপনার বাবার ধারণা, এ টাকাটা শোধ দেবার আব আবশ্বক হবে না, অথচ সে একরকম শোধ দেওয়াই হবে । বুঝলেন না ? অচলা মাথা নাড়িয়া অঙ্কুটে কহিল, ষ্টা । মুরেশ বলিতে লাগিল, কথাটা স্পষ্ট বলচি বলে মনে কিছু করবেন না । বুঝতে পরিচি, টাকাটা তার চাই-ই, অথচ আত টাকা ধাল নিয়ে শোধ করবার অবস্থা তার নেই । যদিচ, আমার নিজের তরফ থেকে তার অবশ্যক কিছুমাত্র নেই–আচ্ছা, এ D BBBg BB BBBS BBB BBB BBBB BBBB BB BB BS KBBB B আর কেন গোল থাকে না । কেমন, পারবেন ত ? অচলা তেমনি অধোমুখে স্তির হইয়া বসিয়া রহিল । সুবেশ কঠিল, টাকার লোভে আপনি যে মত দিলেন না, এতে আমার ঢের শ্রদ্ধা বেড়ে গেল । বরঞ্চ মত দিলেই হয়ত আমি শেষে ভয়ে পেছিয়ে দাড়াতুম। আমার দ্বারা কিছুষ্ট অসম্ভব নয়। আচ্ছ, চললুম। বলিয়া সুরেশ উঠিয় দাড়াইয়া একটু হাসিয়া বলিল, আমার বলবার আর মুখ নেই-—তবু যাবার সময় একটা ভিক্ষ চেয়ে যাচ্চি যে, আমার দোষ-অপরাধগুলো মনে করে রাখবেন না। একটু ইতস্তত: করিয়া বলিল, নমস্কার । খারাপ কাজের জাহাজ বোঝাই করে নিয়ে বিদায় হলুম–কিন্তু বাস্তবিক, পিশাচও আমি নই। যাক—বিশ্বাস করবার যখন এতটুকু পথ রাখিনি, তখন বলা বৃথা। বলিয়াই দুই হাত তুলিয়া নমস্কার করিয়া মুরেশ দ্রুতপদে বাহির হইয়া গেল । ধীরে ধীরে তাহার পদশব্দ সিড়িতে মিলাইয়া গেল, অচলা শুনিতে পাইল ; এবং তাহার পরেই নিতান্ত অকারণে তাহার দুই চোখ দিয়া টপ টপ করিয়া জল পড়িতে লাগিল । কেদারবাবু ঘরে ঢুকিতে বললেন, স্বরেশ ? অচলা তাড়াতাড়ি চোখের জল মুছিয়া ফেলিয়া বলিল, এইমাত্র চলে গেলেন। কেদারবাবু আশ্চৰ্য্য হইয়া কহিলেন, সে কি, আমার সঙ্গে দেখা না করেই চলে গেল? কাল এখানে খাবার কথাটা স্মরণ করে দিয়েছিলে ত ? অচলা অপ্রতিভ হইয়া কহিল, আমার মনে ছিল না বাবা । \2●