প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (সপ্তম সম্ভার).djvu/৬৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


¥प्ले९-मंझिङj-म१ुङ् অচলার ওষ্ঠাধারে একটুখানি হাসির আভা দেখা দিল। কহিল, সে প্রয়োজনই আমার হয়নি। আমি একটি দিনের জন্যেও আপনার ওপর রাগ করিনি—আস্কন ঘরে আস্বন। ס\3 স্বরেশ যখন জানাইল, সে মহিমের পত্রে বিবাহের সংবাদ পাইয়াই তাড়াতাড়ি চলিয়া আসিয়াছে, তখন কেদারবাবু লজ্জায় চঞ্চল হইয়া উঠিলেন বটে, কিন্তু অচলার মুখের ভাবে কিছুই প্রকাশ পাইল না । সুরেশ বলিল, মহিমের বিবাহে আমি না এলেই ত নয়, নইলে আরও কিছুদিন হাসপাতালে থেকে গেলেই ভাল হ’ত । কেদারবাবু উৎকণ্ঠায় পরিপূর্ণ হইয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, হাসপাতালে কেন স্বরেশ, সেরকম ত কিছু— স্বরেশ বলিল, আজ্ঞে না, সে-রকম কিছু নয়—তবে, দেহটা ভাল ছিল না। কেদারবাবু স্বস্থির হইয়া বলিলেন, ভগবানকে সেজন্য শতকোটি প্রণাম করি । অচলা যখন খবরের কাগজ থেকে তোমার অলৌকিক কাহিনী শোনালে স্বরেশ, তোমাকে বলব কি-আনন্দে, গৰ্ব্বে আমার চোখ দিয়ে জল পড়তে লাগল। মনে মনে বললুম, ঈশ্বর ! আমি ধন্য যে—আমি এমন লোকেরও বন্ধু! বলিয়া দু'হাত জোড় করিয়া কপালে স্পর্শ করিলেন। একটুখানি থামিয়া বলিলেন, কিন্তু, তাও বলি বাবা, নিজের প্রাণ বারংবার এমন বিপদাপন্ন করাই কি উচিত ? একটা সামান্ত প্রাণ বাচাতে গিয়ে এত বড় একটা মহৎ প্রাণই যদি চলে যেত, তাতে কি সংসারের ঢের বেশী ক্ষতি হ’ত না ? ক্ষতি আর কি হ’ত! বলিয়া সলজ্জভাবে মুখ ফিরাইতেই দেখিতে পাইল, অচলা নির্নিমেষ-চক্ষে এতক্ষণ তাহারই মুখের পানে চাহিয়াছিল—এখন দৃষ্টি আনত করিল। কেদারবাৰু বারংবার বলিতে লাগিলেন, এমন কথা মুখে আনাও উচিত নয় ; কারণ আপনার লোকেদের এতে যে কত বড় ব্যথা বুকে বাজে তার সীমা নেই। স্বরেশ হাসিতে লাগিল ; কহিল, আপনার লোক আমার ত কেউ নেই কেদারবাবু! থাকবার মধ্যে আছেন শুধু পিসিম,—আমি গেলে সংসারে তারই যা কিছু কষ্ট হবে . তাহার মুখের হাসি সত্বেও তাহার কেহ নাই শুনিয়া কেদারবাবুর শুষ্ক চক্ষু সজল হইয়া উঠিল ; বলিলেন, শুধু কি পিসিমাই দুঃখ পাবেন স্বরেশ ! তা নয় বাবা, శ్రీe