প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শরৎ সাহিত্য সংগ্রহ (সপ্তম সম্ভার).djvu/৯০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শরৎ-সাহিত্য-সংগ্ৰছ মরলে যাবে, তার আগে নয়, বলিয়া আর একবার হাসিয়া মৃণাল গিয়া গাড়িতে ਚੋਠਿੰਗ | আজই এত অকস্মাৎ মুণাল চলিয়া যাইতে পারে, অচলা তাহা কল্পনাও করে নাই। মুণাল নিজে খায় নাই, তাহাকে খাইতে দেয় নাই, এই অপরাধের সব চেয়ে বড় দও অচলা যে কি করিয়া দিবে, একলা ঘরে বসিয়া এতক্ষণ পৰ্য্যন্ত সে এই চিন্তাই করিতেছিল। যে ভালবাসে, তাহাকে ঘৃণা করার অপবাদ দেওয়ার মত গুরুতর শান্তি জার নাই এ-কথা ভালবাসাই বলিয়া দেয়। এই গুরুদণ্ডই মৃণালের প্রতি মনে মনে বিধান করিয়া অচলা বসিয়াছিল। মৃণালদিদি যে তাঁহাকে ব্রাহ্ম-মেয়ে বলিয়া অস্তরের মধ্যে ঘৃণা করে, উঠিতে বসিতে এই খোচা দিয়া সে আজকের শোধ লইবে স্থির করিয়াছিল ; কিন্তু সমস্ত ব্যর্থ হইয়া গেল । यथक चाडूख भूभाल बिशांब्र आहेब्रा यथन घद्र श्र७ यांश्ञि श्हेंब्रां शिग्रांछ्णि, তখন তাহারও চোখের জলে দুই চক্ষু পূর্ণ হইয়া গিয়াছিল। কিন্তু মৃণালের মুখে সেই এক ফোটা হাসির শব্দ তপ্ত-মরুর মত চক্ষের পলকে তাহার উগত আশ্র শুষ্ক করিয়া ফেলিল, এবং দরজার আড়ালে দাড়াইয়া সে সমস্ত চিত্ত দিয়া উভয়ের বিদায়ের পাল দর্শন করিয়া ঠিক বজাহত তরুর মত নিস্তন্ধে দাড়াইয়া জলিতে লাগিল । অনতিকাল পরে মহিম আসিয়া যখন ঘরে প্রবেশ করিল, তখন তাহার স্বাভাবিক ধৈর্ঘ্য প্রায় সমূলে বিনষ্ট হইয়া গিয়াছিল। কিন্তু তথাপি তাহার আজন্ম শিক্ষা-সংস্কার তাহাকে ইতরতার হাত হইতে রক্ষা করিল। সে প্রাণপণ বলে আত্ম-সংবরণ করিয়া কঠোর হাসি হাসিয়া কহিল, বাস্তবিক, সহরের লোক, পাড়াগায়ে এসে বাস করার মত বিড়ম্বন বোধ করি সংসারে অল্পই আছে, না ? মহিম স্ত্রীর মুখের প্রতি চাহিয়া কিছুক্ষণ চুপ করিয়া থাকিয়া বলিল, তোমার নিজের কথা বলচ ত ? বুঝতে পারি, প্রথমটা তোমার নানা প্রকার কষ্ট হবে ; কিন্তু —মৃণালের সঙ্গে যে তোমার বনিবনাও হবে না, এ আমি কিছুতে ভাবিনি। কেন না, তার সঙ্গে কোনদিন কারও ঝগড়া হয়নি । অচলা কহিল, আমার সঙ্গেই যে পাড়াশুদ্ধ লোকের চিরকাল ঝগড়া হয়, এ খবরই বা তুমি কোথায় শুনলে ? মহিম ধীরে ধীরে বলিল, তোমার সমস্তদিন খাওয়া হয়নি থাক, এ-সৰ কথায় এখন কাজ নেই। অচলা অধিকতর জলিয়া উঠিয়া বলিল, মৃণালদিদিও ত সমস্তদিন না খেয়েই বাড়ি গেলেন ; কিন্তু তার সঙ্গে হেসে কথা কইতে ত তোমার আপত্তি হয়নি! মহিম আশ্চৰ্য্য হইয়া বলিল, এ-সব তুমি কি বলচ অচলা ? կ**