পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/১০৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*8 শিখগুরু ও শিখঞ্জাতি ভীষণ সংঘর্ষের সময়ে প্রতিদ্বন্দ্বীমিশলের সর্দারদিগের সহিত প্রতিযোগিতা করিয়া তিনি পাঁচ বৎসরকাল পুত্রের নামে একটা মিশল ও বিস্তৃত রাজ্য সম্পত্তি রক্ষা করিয়াছিলেন। পঞ্চদশ বর্ষ বয়ঃক্রমকালে মহাসিংহ স্বয়ং স্বাধীনভাবে কাৰ্য্য করিতে আরম্ভ করেন । তিনি চন্দ্রভাগ নদীর তীরবর্তী একটা শক্তিশালী মুসলমান সম্প্রদায়কে স্ববশে আনয়ন করিয়া স্বীয় রাজ্য বাড়াইয়া তুলিলেন । বয়সে বালক হইলেও তাহার বীরত্বে অনেক প্রবীণ শিথনায়ক পরাজিত হইলেন, কেহ কেহ তাহার নিকট বগুত। স্বীকার করিলেন । পিতার সাহসিকতা, রণদক্ষত পুত্র রণজিৎ লাভ করিয়াছিলেন। মহাসিংহের নায়কতায় স্বকরচকিয়া মিশল খুব শক্তিশালী হইয়াছিল। কুনিয়া মিশলের দলপতি জয়সিংহ প্রতিদ্বন্দ্বীদের সহিত যুদ্ধে কিয়ুৎপরিমাণে বিপর হইয়া মহাসিংহের সহিত বন্ধুত্বস্থাপনে অভিলাষী হইয়াছিলেন। মহাসিংহ যখন সপত্নীক জালামুখী তীর্থে গমন করেন, জয়সিংহ তখন তাহার বিধবা পুত্রবধূ তেজস্বিনী স্বদার্কেীউড়কে পেত্রী মহাতবর্কেীড়ের সহ পাঠাইয়া দেন। সুচতুরা সুদাকে উড়ের সহিত মহাসিংহের পত্নী রাজর্কেীড়ের বন্ধুত্ব স্থাপিত হইল । মুদার্কেউড় রণজিতের সহিত মহাতবার বিবাহের প্রস্তাব উপস্থাপিত করিলেন। বিবাহ বাচনিক স্থিরীকৃত হইয়া গেল। মহাসিংহের মৃত্যুর পরে এই বিবাহ যথারীতি অনুষ্ঠিত হইয়াছিল । ১৭৮০ খৃষ্টাকে পঞ্চনদ প্রদেশের মহাবীর রণজিৎসিংহ গুজরানওয়াল• নামক ক্ষুদ্র জনপদে জন্মগ্রহণ করেন । বার বৎসর বয়সে তিনি পিতৃহীন হইলেন । বিপন্ন বালক রণজিতের সম্পত্তিরক্ষার ভার দেওয়ান লাথপং সিংহ, জননী ও বাগদত্ত পত্নী মহাতবার জননী মুদাকে উড়ের উপর পতিত হইল ! বীরশিশু রণজিৎ কৰ্ম্মক্ষেত্রে প্রবেশ করিলেন । • গুজরানওয়াল অধুনা একটি নগর হইয়া উঠিয়াছে।