পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/১১২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


13 br শিখগুরু ও শিখজাতি তাহাকে বন্দী করিলেন । কারাগারে অভিমামিনী সুদাকোউড়ের জীবলীলার পরিসমাপ্তি হয়। কুনিয়া মিশল রণজিতের শাসনাধীন হইল । সের সিংহকে তিনি এক খণ্ড জায়গীর প্রদান করিলেন। নাওনিহাল সিংহের মৃত্যুর পরে ১৮৪৩ খৃষ্টান্ধে সের সিংহ পঞ্চনদপ্রদেশের রাজপদে প্রতিষ্ঠিত হইয়াছিলেন ; কিন্তু অনেক দিন রাজত্ব করা তাহার ভাগ্যে ঘটিল্প উঠে নাই। শিখনায়কদের ষড়যন্ত্রে অল্পদিনभr५ाझे ठिनि मिङ्ड श्रेंझांझिरशन । ভাগ্যলক্ষ্মী রণজিতের প্রতি প্রসন্ন ছিলেন । পারিবারিক বিরোধ ও শাখাসম্প্রদায়গুলির প্রতিকূলত তাহার দ্রুত উন্নতিলাভে ও বিজয়কার্য্যে বাধা দিতে পারে নাই । তাহার সংসার প্রবেশের অল্প কয়েক বৎসর পরেই প্রসিদ্ধ অক্ষগান আক্রমণকারী আমেদ সাহের পৌত্র সাহ জুমান পঞ্চনদপ্রদেশের শাসনাধিকার পুনরুদ্ধারমানসে সসৈন্তে দুইবার পাঞ্জাব আক্রমণ করেন। প্রথমবারে তিনি ত্রিশ সহস্র সৈন্তসহ লাহোরে উপনীত হন । কোনো কোনো শিখদলপতি বিনাযুদ্ধে তাহার নিকট বহুত স্বীকার করিলেন । এইরূপে সাহ শিখদিগের সহিত প্রীতি স্থাপন করিয়া তাহাদিগকে স্ববশে আনিবার চেষ্টা করিতে লাগিলেন । তিনি যখন এইরূপ ভাবে কাৰ্য্য করিতে আরম্ভ করিয়াছিলেন, তখন শুনিতে পাইলেন যে তাহার সহোদর মাহামুদ বিদ্রোহী হইয়াছেন ; আনন্যোপায় হইয়া তিনি স্বদেশে ফিরিয়া গেলেন । ১৭৯৮ খৃষ্টান্ধে তিনি দ্বিতীয়বার নিৰ্ব্বিবাদে লাহোর নগরে উপনীত হন । কমুরের নবাব নিজামুদিন তাহার পক্ষাবলম্বন করেন । এবারে সাহ কথনো ভয় দেখাইয়া, কখনো বা বন্ধুতার ভাল করিয়া শিখদিগকে বশে আনিবার চেষ্টা করিতেছিলেন । শিখদিগের সহিত, ছোটখাটে। কয়েকটা সংগ্রামও ঘটিল । এই যুদ্ধগুলিতে সর্দার রণজিৎ