পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/১১৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দশম অধ্যায় y:నె • সিংহের বীরত্ব কেবল মাত্র শিখদলপতিদিগকে নহে, সাহজুমানকেও মুগ্ধ করিয়াছিল । সর্দার রণজিৎ সিংহ রাজধানী লাহোর নগরটি লাভ করিবার মানসে সাহজুমানের নিকট বহুত জ্ঞাপন করেন । ঘটনাক্রমে সাহজুমানও এইসময়ে বিদ্রোহী সহোদরকে দমন করিবার মানসে স্বদেশে প্রত্যাগমন করিলেন। প্রবল প্লাবনের মধ্যে বিতন্ত নদী উত্তীর্ণ হইবার সময়ে সাহের বারটি কামান নদীগর্ভে নিমগ্ন হয় । কামান উদ্ধার করিবার নিমিত্ত অপেক্ষা করিবার অবসর তাহার ছিল न । लिनि डेफ्रांछिशांशेौ ब्रभछि९टक खांमाझेशन ८य, डिनि कामांन উদ্ধার করিয়া পঠাইলে তাহাকে লাহোর নগর ও রাজা উপাধি দান করা যাইবে । রণজিং আটটা কণমান উদ্ধার করিয়া সাহের নিকট পাঠাইলেন, তিনি রণজিৎকে রাজা উপাধি ও লাহোরের শাসনাধিকার দান করিলেন । লাহোর নগর প্রায় দুই সহস্র বৎসর যাবৎ ইতিহাসে প্রসিদ্ধি লাভ করিয়াছে । এই লোভনীয় নগরটির শাসনাধিকার পাইবার নিমিত্ব অষ্টাদশ শতাব্দীতে প্রসিদ্ধ প্রসিদ্ধ শিখমিশলের দলপতিরা প্রাণপণ সংগ্রাম করিয়াছেন। এক একবার তাহারা নগরটা মুসলমানদের হাত হইতে ছিনাইয়া লইয়াছেন, আবার মুসলমানেরা তাহাদিগকে তাড়াইয়া দিয়া নগর অধিকার করিয়া লইয়াছে ৷ ‘ ১৭৬৪ খৃষ্টাব্দে ভাঙ্গীসর্দার গুঞ্জর ও লেহন সিংহ এবং কুনিয়া-সর্দার শোভা সিংহ সম্মিলিত হইয়া লাহের নগর অধিকার করিবার চেষ্টা করেন । আমেদ সাহের প্রতিনিধি কাবুলমন কিছুকাল সংগ্রাম করেন। অবশেষে একদা রাত্রিকালে অসমসাহসী ভাঙ্গীসর্দারস্বয় একট পয়ঃপ্রণালীর মধ্য দিয়া নগরে প্রবেশ করেন । মৃত্যগীতে উন্মত্ত আফগানরাজপ্রতিনিধি তাহদের হস্তে বন্দী হইলেন । রজনী প্রভাত হইতে না