পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/১১৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দশম অধ্যায় । ఫ ভাসিনে গমন করেন এবং তথায় উৎসবে, ভোজে ও শিকারে দুইমাস যাপন করিয়া লাহোরে প্রত্যাগমন করেন । শত্ররা তাহার কেশাগ্র স্পর্শ করিতেও সাহসী হইল না। ১৭৬১ খৃষ্টাব্দে আমেদ সাহ আবদলি যুদ্ধান্তে লাহোর নগরে একটা কামান ফেলিয়া গিয়াছিলেন । ইতিহাসে ঐ কামানটা-জিমজমা’ নামে খ্যাত। ১৭৬৪ খৃষ্টাম্বে লাহোর নগর যখন শিখদের হস্তগত হয় তখন পূৰ্ব্ব্যেক্ত কামানটা রণজিতের পিতামহ স্বরথ সিংহের অংশে পড়িয়ছিল বলিয়া প্রকাশ । রণজিং যখন লাহোর নগরের প্রস্থ হইলেন তখন ঐ কামান অমৃতসরে ভাঙ্গীসর্দারের নিকটে ছিল । তিনি কামানটা দাবী করিলেন । ভাঙ্গীসঙ্গীরের তাহার দাবী অগ্রস্থ করিলেন। ১৮৯২ খৃষ্টাব্দে রণজিৎ ভাঙ্গীদদারদিগের অমৃতসর নগরস্ত দুর্গ আক্রমণ করিলেন। ভাঙ্গীরা অমৃতসর হইতে তাড়িত হইয়। রামঘোরিয়াদের শরণাপন্ন হইলেন । পুণ্যভূমি অমৃতসর রণজিতের করায়ত্ত হইল। তার পর তিনি একে একে ভাঙ্গিদের অপর দুর্গ ও জনপদ গুলি জয় করিয়া লইলেন । ভাঙ্গীপদার সাহেব সিংহকে তিনি একখানি গ্রাম জায়গীর দিয়াছিলেন, সর্দার তথায় তাহার জীবনের অবশিষ্টভাগ যাপন করেন । সাহেব সিংহের পুত্র গোলাব সিংহs কয়েকটি জনপদ পাইয়াছিলেন। ইনি অপুত্ৰক মৃত্যুমুখে পতিত হওয়ায় ১৮৯৬ খৃষ্টান্ধে ভাঙ্গীদের সমস্ত সম্পত্তি রণজিতের অধিকারভুক্ত হয়। পবিত্র শিখন্তীর্থ অমৃতসর এবং শিখদের রাজনৈতিক মিলনভূমি লাহোর রণজিজ্ঞের শাসনাধীন হওয়ায় তিনি এক্ষণে ক্ষমতায় পঞ্চনদপ্রদেশে অদ্বিতীয় হইয়া উঠিলেন। তাহার সাফল্য লাভের পথ ক্রমেই সুগম হইয়া উঠিল । তাহার রাষ্ট্রগঠন-কামনায় প্রতিকূলে কেছ মাথা তলিয় দাড়াইতে পরিবে না, ইছা তিনি স্পষ্ট বুঝিতে