পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/১৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


छे খরিয়া শিখ বহু দুঃখ সহ্য করিয়া ক্রমশ প্রসার লাভ করিতেছিল । এই ধৰ্ম্মবোধ ও দুঃখভোগের গেীররে শিখদের মধ্যে অলক্ষ্যে একটি মহৎ ঐক্যের ভিত্তি স্থাপিত হইয়াছিল । গুরু গোবিন্দ শিখদের এই ধৰ্ম্মবোধের ঐক্যানুভূতিকে কৰ্ম্মসাধনার সুযোগে পরিণত করিয়া তুলিলেন । তিনি একটি বিশেষ সাময়িক প্রয়োজনের প্রতি দৃষ্টি রাখিয়া ধৰ্ম্মসমাজের ঐক্যকে রাষ্ট্রীয় উন্নতিলাভের উপায়ুরূপে খৰ্ব্ব করিলেন । কিন্তু এই উপলক্ষ্যে সম্প্রদায়কে সঙ্কীর্ণ করিয়া লইয়া তিনি তাহার ঐক্যকে ঘনিষ্ঠ করিয়া লইলেন - যে জাতিভেদ তাহার প্রবল অন্তরায় ছিল তাহাকে সমূলে উৎপাটিত করিলেন। গুরুগোবিন্দ তাহার শিষ্যসমাজের মধ্য হইতে এই যে ভেদবিভাগকে এক কথায় দূর করিতে পারিয়াছিলেন তাহার প্রধান কারণ এই যে, নানকের উদার ধৰ্ম্মের প্রভাবে পরম্পরের মধ্যে ভেদবুদ্ধির ব্যবধান আপনিই তলে তলে ক্ষীণ হইয়া আসিয়াছিল । শুরুগোবিন তাহাকে আঘাত করিবামাত্র তাহ শতথগু হইয়া পড়িয়া গেল। পূৰ্ব্ব হইতে গভীরতররূপে যদি ইহার আয়োজন না থাকি ভ তবে সহস্র প্রয়োজন হইলেও গুরুগোবিন কিছুই করিতে পারিতেন না। শুধু তাহাই নয়, সকল কৰ্ম্মনাশা এই ভেদকে দূর করিতে হইবে এই সঙ্কল্পমাত্রও তাহার মনে আকার গ্রহণ করিতে পারিত না । কিন্তু গুরুগোবিন্দ কি করিলেন ? ঐক্যকেই পাকা করিলেন, অথচ যে মহাভাবের শক্তির সহায়তায় তাহ করা সম্ভব হইল তাহাকে সিংহাসনচ্যুত করিলেন, অন্তত তাহার সিংহাসনে আর একজন প্রবল সরিক বসাইয়া দিলেন । ঐক্যই ভাবের বাহন । এইকারণে মহৎ ভাবমাত্রই সেই বাহনকে