পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/১৩৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


) a শিখগুরু ও শিখজাতি স্বাভাবিক শাসনক্ষমতাসম্পন্ন হইবার কোনো সম্ভাবনা ছিল না। মহারাজ রণজিৎ র্তাহার জীবনের প্রথমভাগেই শিখদিগের উক্তরূপ অক্ষমতা অনুভব করিয়াছিলেন এবং সর্দার ফতে সিংহও মৃত্যুকালে রণজিৎকে বলিয়াছিলেন—“ আপনি জাঠ-শিখদিগকে কখনো দরবারে উচ্চপদে নিযুক্ত করিবেন না, সৈন্তবিভাগে কার্য্য করিবার যোগ্যতা তাহদের আছে শাসনকার্য্যে মুসলমান, রাজপুত ও ব্রাহ্মণদিগকে নিযুক্ত করিবেন । ” যে সকল সহযোগীর সছুপদেশ ও কৰ্ম্মকুশলতা মহারাজ রণজিৎকে বিপদের মুখ হইতে উদ্ধার করিয়াছে, সেই সকল সহযোগীর মধ্যে ফকির আজিজুদ্দীন সৰ্ব্বপ্রধান। তিনি লাহোরদরবারের উজ্জ্বলতম রত্ন ছিলেন। তাহার উপদেশ গ্রহণ না করিয়া মহারাজ কখনো কোনো গুরুতর কৰ্ম্মে হস্তীর্পণ করিতেন না । আজিজুদ্দীনের পরামর্শেই তিনি ১৮৯৯ খীষ্টাব্দে ইংরাজগবর্ণমেণ্টের সহিত সন্ধিস্থত্রে আবদ্ধ হন । বোখারার কোনো সম্রাস্ত মুসলমানবংশে ফকিরের জন্ম । লাহোর নগরে তিনি চিকিৎসা-শাস্ত্র অধ্যয়ন করিতেন। ১৭৯৯ খীষ্টাবে লাহোর নগর অধিকারের পরে মহারাজ রণজিৎ চক্ষুপীড়ায় কাতর হইয়া পড়িয়াছিলেন, নগরের প্রধান চিকিৎসক মহাশয়ের আদেশে তাহার শিষ্য আজিজুদ্দীন রণজিতের সেবক নিযুক্ত হইয়াছিলেন । সেবকের কৰ্ম্মতৎপরতায় ও নৈপুণ্যে মুগ্ধ হইয়া রাজা তাহাকে কয়েকখানি গ্রাম বৃত্তিদান করিয়া আপনার চিকিৎসক নিযুক্ত করিলেন । এই সময় হইতেই ফকির লাহোরদরবারে স্থান পাইলেন এবং রণজিতের রাজৈশ্বৰ্য্যবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তাহার ক্ষমতা ও সম্পদ বাড়িতেছিল । চরিত্রগুণে অচিরে ফকির রণজিতের বিশেষ বিশ্বাগভাজন হইয়া উঠেন। মহারাজ যখন তাহার প্রধান প্রধান রাজকৰ্ম্মচারীদিগকে লইয়