পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/১৫৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


> &をア শিখগুরু ও শিখজাতি রণজিংকে যুদ্ধযাত্রা হইতে প্রতিনিবৃত্ত হইবার জন্ত অনুরোধ করিয়া ছিলেন, রণজিৎ তাহার বারণ মানিলেন না । শিখসৈন্ত দুই ভাগে বিভক্ত হুইল-একদল মোকমচাদের পৌত্র রামদয়ালের, দ্বিতীয়দল মহারাজের নায়কতায় যুদ্ধযাত্রায় বাহির হইল । সৈন্তাবল ভাগ করিয়া রণজিৎ ভ্রমে পতিত হইয়াছিলেন, কারণ দুর্গম পাৰ্ব্বত্য দেশে একদল অল্প দলকে বিপদের সময়ে সাহায্য করিতে পারিল না । কাশ্মীরের শাসনকৰ্ত্ত যখন রামদয়ালকে পরাজিত করেন তখন মহারাজ তাহার BBBBBBB BB BBB gDDBB SBBB S BBBD BBBBB BBB বুঝিয় তাহাকে তাড়া করিলেন, রণজিৎ কোনোরূপে সসৈন্তে লাহোরে ফিরিয়া আইলেন । বীরবর রণজিতের চরিত্র অতি অদ্ভুত উপাদানে গঠিত । কোনো প্রকারের বিপদে লা পরাভকে তাহার চিত্ত দমিয়। যাইত না । কাশ্মীরের দিকে তাতার সত্ষ্ণদৃষ্টি ন্যস্ত রছিল --তিনি সুযোগের প্রতীক্ষা করিতে লাগিলেন। ১৮১৯ খৃষ্টাব্দে মহারাজ কাশ্মীরজয়ের এক মুযোগ পাইলেন –শাসনকৰ্ত্তা আজমখা তখন রাজধানী হইতে স্থানান্তরে চলিয়া গিয়াছিলেন । রণজিৎ অনতিবিলম্বে সেনাপতি মিশ্র দেওয়ানচাদ ও রামদয়ালের নেতৃত্বে সৈন্ত পাঠাইলেন ; জবর থ" নামক জনৈক সেনানায়ক আফগানসৈন্তসহ কিয়ংকাল যুদ্ধ করিয়া হার মানিলেন ; অতি আল্লায়াসে কাশ্মীর অধিকৃত হইল । দেওয়ান মোকমর্চাদের পুত্র মতিচাদ এই প্রদেশে প্রথম শাসনকৰ্ত্ত নিযুক্ত হইলেন । ১৮০৯ থষ্টাব্দে বীরকেশরী রণজিৎ কাঙ্গ ও তন্নিকটার্তা পাৰ্ব্বত্য প্রদেশ জয় করেন । কোনো সন্ত্রাস্ত রাজপুতবংশীয় রাজার বহূকাল হইতে এই প্রদেশে রাজত্ব করিতেছিলেন । ঐ বংশীয় রাজা