পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/১৫৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ষোড়শ অধ্যায় ১৩১ রাজ্যে পরিণত হয় । ইয়ার মহম্মদ খা নামক এক আফগান পেশবারের শাসনকৰ্ত্ত ছিলেন, তিনি রণজিতের সহিত সোঁহাদ স্থাপন করায়, তাহার সহোদর আফগানরাজ্যের মন্ত্রী মহম্মদ আজিম খা ক্রুদ্ধ হইলেন। আজিম খুব লোক-প্রিয় ও প্রতাপশালী ছিলেন, তিমি সীমান্ত প্রদেশ হইতে শিখ শাসনের উচ্ছেদসাধনমানসে মুনলমানদিগকে উত্তেজিত করিয়া ধৰ্ম্মযুদ্ধ ঘোষণা করেন। আটকের নিকটবর্তী থেরাইনামক স্থানে উভয় পক্ষে ভীষণ সংগ্রাম হইয়াছিল । এই যুদ্ধের ফলাফলের উপর সীমান্ত প্রদেশে শিখপ্রাধান্ত সম্পূর্ণ নির্ভর করিতেছিল। সেনাপতি ভেণ্ট ৱা, জমাদার কুশলসিংহ, বৃসিংহ এবং মগরাজ রণজিং শিখ বাহিনীসহ যুদ্ধ চালাইতেছিলেন । আফগানপক্ষে আজিমগ স্বয়ং সেনানায়ুকের কার্য্য করিয়াছিলেন । এবার আফগানের পরাজিত হইল, তাহার সংকীর্ণ গিরিপথ দিয়া পলায়ন করিয়া স্বদেশে ফিরিয়া গেল । বিজয়ী রণজিং যুদ্ধান্তে পেশবার লুণ্ঠন করিয়া বিস্তর ধনরত্ন লাভ করেন । ইয়ার মহম্মদকে পেশবারের শাসনকৰ্ত্ত নিযুক্ত করিয়া তিনি রাজধানীতে ফিরিয়া আসিলেন । মহারাজ রণজিং কোনোকালে সীমান্ত প্রদেশে শান্তিসংস্থাপন করিতে পারেন নাই। এই প্রদেশের বিদ্রোহদমনের নিমিত্ত তিনি fনৰ্ব্বিকারে আপনার ধনবল ও জনবল গায় করিয়াছেন । অনেক সুবিখ্যাত সেনাপতি এই প্রদেশে যুদ্ধক্ষেত্রে জীবন দান করিয়াছেন । এস্থলে সেই দীর্ঘকালব্যাপী সংগ্রামের ইতিবৃত্ত বিবৃত করা অসম্ভব । ७शनि अथनाrष्ठ aडिॐाङ मग्नन आश्शन माझ् ७कशत्र भूनणशांमদিগকে শিখদের বিরুদ্ধে ক্ষেপাইয়া তুলিতে চেষ্টা করেন। হজার প্রদেশের তদানীন্তন শাসনকৰ্ত্তী হরিসিংহের কঠোর ব্যবস্থার উপলক্ষ করিয়া বিদ্বেষগ্নি প্রজ্বলিত হইয়া উঠিল । ১৮২৪ খৃষ্টাকে দারবন্দনামক