পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/১৫৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


రి: শিখগুরু ও শিখজাতি স্থানে মুসলমানে ও শিথে লড়াই হইল। ক্রমে বিদ্রোহীদের দল বাড়িয়) যাইতে লাগিল। পর বৎসর তাহাদের সংখ্যা শিখদের পাচগুণ হইয়। গেল। বহুকষ্টে হরিসিংহ একটা যুদ্ধে জয়লাভ করিলেন । বিজয়ী হইলেও তাহার বিপদের অবধি ছিল না । রণজিৎ অবিলম্বে হরিসিংহের সাহায্যাৰ্থ বুধসিংহকে বহুসংখ্যক সৈন্তসহ পাঠাইলেন । এইরূপে শিখপক্ষের সৈন্তবল বাড়িয়া গেল, তাহারা নূতন উৎসাহের সহিত আবার যুদ্ধ করিবার জন্ত প্রস্তুত হইল। আকোরানামক স্থানে মুসলমানে শিখে একটা যুদ্ধ ঘটিল। যুদ্ধে শিখদের জয় হইল বটে, কিন্তু এই যুদ্ধে প্রায় পাচ শত শিখ জীবন ত্যাগ করিয়াছিল। জগিরানমিক স্থানে শিখে ও মুসলমানে আর একটা ভীষণ যুদ্ধ হইয়াছিল । অসংখ্য মুসলমান এই যুদ্ধে জীবনত্যাগ, করিল ; সৈয়দ আহম্মদ ফুর্গম পাৰ্ব্বত্যপ্রদেশে পলায়ন করিয়া প্রাণরক্ষা করিলেন বটে, কিন্তু এবারে এমন পরাজয় হইল যে, তাহার আর শীঘ্র মাথা তুলিবার শক্তি রছিল না। মহারাজ রণজিৎ স্বয়ং হরিসিংহকে সাহায্য করিবার জন্ত অগ্রসর হইতেছিলেন, পথিমধ্যে তিনি সংবাদ পাইলেন যে, সৈয়দ পরাজিত হইয়াছেন । তথন তিনি পেশবারের অভিমুখে যাত্রা করিলেন। সেখানকার মুসলমানশাসনকর্তা বিদ্রোহীদের প্রতি সহায়ুভূতিসম্পন্ন ছিলেন। সে কারণে মহারাজ বিদ্রোহীদের পৃষ্ঠপোষক এই শাসনকৰ্ত্তাকে উপযুক্ত শাস্তিপ্রদান করিতে অভিলাৰী হইলেন। এবারও তিনি সসৈন্তে পেশবার লুণ্ঠন করিয়া বিস্তর ধনরত্বলাভ করিলেন । সৈন্যদের . অত্যাচারে নগর প্রহীন হইল। লাঞ্ছিত শাসনকৰ্ত্তা, রণজিংকে অতিরিক্ত করপ্রদানে প্রতিশ্রুত হইয়া আবার তাহার অনুগ্রহ লাভ করিলেন। ভবিষ্যৎ সদাচরণের প্রতিভূস্বরূপ তিনি তাহার এক পুত্রকে মহারাজ রূণজিতের হন্তে জর্পণ করিয়াছিলেন। " .