পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/১৬১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ষোড়শ অধ্যায় ృ\ర్సిలి অতঃপর ১৮৩৩ খৃষ্টাব্দে কুমার নাওনিহালসিংহ ও হরিসিংহ কর আদায়ের ভাণ করিয়া আট সহস্র সৈন্তসহ পেশবার জয় করিতে চলিলেন । এবার বারাকজাই মুসলমানেরা একপ্রকার বিনা যুদ্ধে হার মানিল । পেশৰার রণজিতের অধিকারভূক্ত হইল। কিন্তু আফগানের ৰিন যুদ্ধে তাহীদের অধিকার ছাড়িয়া দিতে প্রস্তুত হইল না । ১৮৩৫ খষ্টাব্দে আমার দোস্তমহম্মদ পেশবার পুনরধিকার করিবার নিমিত্ত সসৈন্তে নগর আক্রমণ করিলেন। শিখসৈন্যসহ ফকির আজিজুদিন আফগানদের সহিত যুদ্ধ করিবার জন্ত প্রস্তুত হইলেন । বিশাল শিখবাহিনীর সহিত যুদ্ধ করিতে আমীর সাহসী হইলেন না, তিনি সসৈন্তে পলায়ন করিলেন । কুমার নাওনিহালসিংহ সমগ্র পেশবারপ্রদেশে পরিভ্রমণ করিয়া বিদ্রোহীদিগকে শাস্তিপ্রদান করিতে লাগিলেন। ১৮৩৬ খৃষ্টাব্দে শিখের থাইবারপাশের নিকট একটি দুর্গ নিৰ্ম্মাণ করে। এই সময় হইতে সীমাস্তপ্রদেশে শিখ-শাসন প্রবৰ্ত্তিত হইল বটে কিন্তু তথাকায় বিদ্রোহ কিছুতেই প্রশমিত হইল না। ওদিকে আফগানের আমীর শিখদের দর্পচূৰ্ণ করিবার নিমিত্ত সৈন্যবল সংগ্ৰহ করিতেছিলেন । বিশসহস্র পদাতিক, সাতসহস্ৰ অশ্বারোহী, দুই সহস্র বন্দুকধারী সৈন্ত ও আঠারটা কামানসহ সেনাপতি মহম্মদ আকবর থাকে তিনি শিখদের বিরুদ্ধে প্রেরণ করিলেন। ১৮৩৭ খষ্টাব্দের এপ্রিগমসে জামরানামক এক নগরে এই বিশালবাহিনী উপনীত হইল। এই অরক্ষিত নগরফুর্গে কেবলমাত্র আটশত শিখসৈন্ত বাস করিতেছিল । আফগানসৈন্তগণ অবলীলাক্রমে নগর অবরোধ করিয়া যুদ্ধ চলাইতে লাগিল। হরিসিংহ জরাক্রাস্ত হইয়। এতদিন পেশবার নগরে নিশ্চেষ্টভাবে অবস্থান করিতেছিলেন। ছয়