পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/১৭৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


83 শিখগুরু ও শিখজাতি হেতু হইয়া দাড়াইল । তাহারা আপনাদের তেজোবহ্নিতে ধনপ্রাণ ও স্বাধীনতা আহুতি প্রদান করিল । রণজিতের মৃত্যুর পরে পঞ্চনদপ্রদেশে এমন কোনো ব্যক্তি ছিলেন না, যিনি এই উদ্ধত জাতিকে নিয়মের গণ্ডীবদ্ধ রাখিতে পারেন । থালসাসৈন্যদল ১৮৪৫ খৃষ্টাব্দের নবেম্বর মাস হইতে ইংরাজ-রাজ্য আক্রমণের চেষ্টা করিতেছিল । এই সময়ে তেজসিংহ শিথসৈন্যদলের সেনাপতি ছিলেম । লাহোর হইতে ইংরাজপক্ষীয় সংবাদ-দাতার রাজকৰ্ম্মচারীদের নিকট পুনঃপুনঃ আসন্নসংগ্রামের খবর পাঠাইতেছিলেন । তদানীন্তন গবর্ণরজেনারেল স্তার হেনরি হার্ডিঞ্জ বাহাদুর এই সংবাদটার প্রতি যথোপযুক্ত আস্থা স্থাপন করিলেন না । সৈন্তদলের প্রধান সেনাপতি স্তার হিউ গফ মীরাট এবং সীমাস্তপ্রদেশের সৈন্যদলগুলিকে যুদ্ধার্থ প্রস্তুত থাকিবার নিমিত্ত আদেশ করিলেন। যুদ্ধার্থী শিখের যখন শতদ্রুতীরে সমবেত হইতেছিল তখন গবর্ণরজেনারেল যুদ্ধঘোষণা করিলেন । ১৮৪৫ খৃষ্টাব্দের ১১ই ডিসেম্বর তারিখে যাটসহস্ৰ সুশিক্ষিত শিখসৈন্ত শতদ্রু পার হইয়া ইংরাজ রাজ্য আক্রমণ করিল । শিখবাহিনী একশত কামান সহ ফেরোজপুর-অভিমুথে অগ্রসর হইতেছিল । তথাকার ইংরাজসেনানিবেশে অতি অল্পসংখ্যক সৈন্ত ছিল বলিয়া প্রধান সেনাপতি শুrর হেনরি গফ ও গবর্ণরজেনারেল বাহাদুর চিন্তিত হইয়া পড়িলেন । উজীর লাল সিংহের অধীন খালসা সৈন্যদল এই সময়ে অবিভক্ত থাকিয়! ক্ষিপ্রগতি ফেরোজপুরে দুর্গ আক্রমণ করিতে পারিলে ইংরাজের বিপন্ন হইয়া পড়িতেন, তদ্বিষয়ে সন্দেহ নাই। কিন্তু অদূরদর্শী শিখসেনানায়কগণ এই সময়ে আপনাদের সৈন্যদল বিভক্ত করিয়া বিভিন্ন ইংরাজসৈন্তদলগুলিকে পৃথক পৃথক আক্রমণ করিবার চেষ্টা পাইলেন । শিখদের সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করিয়া নানা স্থান হইতে ইংরাজসৈন্যদল আসিয়ঃ