পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/২৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


हिउँोग्न छाथाख्न 遭 বৈদ্যনাথ পণ্ডিতের নিকট সংস্কৃত ও কুতবুদিন মুল্লার নিকট পারসী শিক্ষা করেন। বালকের ধী-শক্তি ও চরিত্র মাধুর্ঘ্য উভয় শিক্ষককেই মুখ করিয়াছিল । জন্মসাক্ষীগ্রন্থে বর্ণিত আছে যে, নানক সংস্কৃত ও পারঙ্গী উভয় ভাসার বর্ণমালার প্রত্যেক বর্ণ অবলম্বনে এক একটি গভীর আধ্যাত্মিক ভাবপূর্ণ শ্লোক রচনা করিয়া শিক্ষক দুই জনকে বিশ্বিত করিয়াছিলেন । নানকের বাল্যজীবনে অনেক অলৌকিক ঘটনা ঘটিয়াছিল বলিয়া প্রকাশ ; আমরা সেগুলি বিশ্বাস করি না এবং এস্থলে সেগুলির উল্লেখ করাও সম্পূর্ণ অনাবশুক। আমার একটিমাত্র বিশ্বাস-যোগ্য প্রসিদ্ধ ঘটনার উল্লেখ করিব একদিন বালক নানক বিপাশা নদীতে স্নান করিতে গিয়াছিলেন ; নিকটে কয়েকজন ব্রাহ্মণকে তৰ্পণ করিতে দেখিয়া তিনি হস্তদ্বার তীরভূমিতে জলসেচন করিতে লাগিলেন। অল্পবয়স্ক বালককে বিনা প্রয়োজনে এইরূপ জল সেচন করিতে দেখিয়া ব্রাহ্মণের বলিয়া উঠিলেন--“বালক তুমি জল লইয়া কি করিতেছ?” বুদ্ধিমান বালক উক্ত প্রশ্নের উত্তর না দিয়া পাণ্টা প্রশ্ন করিলেন—“ আপনার জল দ্বারা ও কি করিতেছেন ?” জনৈক ব্রাহ্মণ উত্তর করিলেন—“আমাদিগের পরলোকগত পূৰ্ব্ব পুরুষদিগকে জলদান করিতেছি । নানক উত্তর করিলেন—“আমি আমার তালবগুীর শাকের ক্ষেতে জল সেচন করিতেছি।” ব্রাহ্মণ উত্তর করিলেন—“তুমি কি নিৰ্ব্বোধ, তোমার শাকের ক্ষেত রহিয়াছে তালবওঁতে, জার এখানকার ভূমিতে তুমি জল ছড়াইতেছ, এই জল স্বারা কি সেই ক্ষেত্র সিঞ্চিত হইবে ?’ নানক বলিয়া উঠিলেন-- পকে বেশী নিৰ্ব্বোধ ? তুমি না জামি ? তুমিই বলিতেছ যে আমার এই জল কয়েক ক্রোশ দূরবর্তী তালবর্তীতে পহুছিবে না ; তবে