পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/২৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ্বিতীয় অধ্যায় । $ পশুগুলিকে ছাড়িয়া দিয়া নিজে তরুতলে ধ্যানমগ্ন হইয়া থাকিতেন। গো মহিষগুলি কাহার শস্ত নষ্ট করিত নামক তাহার খোজ লইবার অবসর পাইতেন না। পিতা কালু উত্তাক্ত হইয়া নানককে এই কাৰ্য্য হইতে অব্যহতি দিলেন । পিত! তাহাকে বারংবার কৃষিকার্য্যে মনোনিবেশ করিতে বলায়, নানক এই সময়ে বলিয়াছিলেন---“হে পিতঃ, আমি একখানি নূতন ক্ষেত পাইয়াছি, সেই ক্ষেতের কর্ষণ আরম্ভ হইয়া গিয়াছে, নূতন নূতন অক্ষুর বাহির হইয়াছে, এই সময়ে আমাকে সৰ্ব্বদা সতর্ক থাকিতে হইতেছে"। ’ এমন সময়ে আমার অন্তের ক্ষেত্রের প্রতি দৃষ্টি দিবার অবসর নাই, তাহার ভারও লইতে পারি না ।” . . } পুত্র এইরূপ তাহার মৰীন ধৰ্ম্মানুরাগের কথা পিতাকে নানারূপে বুঝাইতে চেষ্টা করিলেন । কিন্তু সংসারী পিতা তাহার ভাবের গভীরতা বুঝিতে পারলেন না। তিনি নানককে অকৰ্ম্মণ্য মনে করিলেন । । , . . . . - . নবীন ঈশ্বরপ্রেমে নানক মাতোয়ার হইলেন। তিনি মৃতের স্তায় রাত্রিদিন একস্থানে বসিয়া থাকিতেন। তাহার শরীর ক্ষীণ হইল। মাতা ত্রিপতার অনুরোধে কালু চিকিৎসক ডাকাইলেন। চিকিৎসক আসিয়া রোগীর নাড়ী ধরিবামাত্র নামক একটী শ্লোক বলিয়া উঠিলেন–“বৈস্তু আসিয়া স্থাত ধরিয়া নাড়ী খুজিতেছে, কিন্তু ভ্রান্ত বৈদ্য জানে না যে তাহার আপনার বুক দুঃখে পরিপূর্ণ হে বৈদ্য, তুমি মুচিকিৎসক, প্রথমে কি রোগ হইয়াছে তাহ স্থির কর। এইরূপ ঔষধের প্রয়োজন হইয়াছে যদ্বারা সমস্ত দুঃখ ও রোগ দূর হইয়া নিত্য সুখ লাভ হয়। হে বৈষ্ঠ, তুমি আগে আপনার রোগ দূর কর, তাহা হইলে বুঝিব ভূমি সুচিকিৎসক।” 3 & 腳 醬 隸