পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/২৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ্বিতীয় অধ্যায় * আর একবার তিনি জনৈক সন্ন্যাসীকে একটি সোনার অঙ্গুরীয়ক ও একটি পানপাত্র দান করেন । পুত্রের এই দানের কথা পিতার কর্ণগোচর হইবামাত্র তিনি ভয়ানক ক্রুদ্ধ হইয়া নানককে গৃহ হইতে তাড়াইয়া দিলেন । কালু তালবর্তী গ্রামের ভূস্বামী রায় বুলারের অনুগত কৰ্ম্মচারী। বুলার নানককে পরম সাধু জ্ঞানে ভক্তি করিতেন । তিনি এই সময়ে নানককে তাহার একমাত্র ভগিনী নানকীর নিকটে সুলতানপুরে পাঠাইয়া দিলেন। ভগ্নিপতি জয়রাম নবাব দৌলত থ’। লোদির কমিশরিয়েই সংক্রান্ত মুদিথানার কৰ্ত্ত ছিলেন। কিছু কাল নানক এই মুদিখানায় কাৰ্য্য করিয়াছিলেন । তিনি যাহা উপাৰ্জ্জন করিতেন সাধুসেবাতেই তাহা ব্যয় করিতেন। কিছুতেই নানকের মন সংসারের দিকে আকৃষ্ট হইতেছে না দেখিয়া পিত কালু এই সময়ে স্থলখন চেনী নামী একটি বালিকার সহিত নানকের বিবাহ দিলেন। বিবাহের পর কিছুকাল নানক মাতা মুলখনার প্রতি সম্পূর্ণ উদাসীন ছিলেন বলিয়া প্রকাশ । কালুর মনোরথ সিদ্ধ হইল না। বিবাহ করায় নানকের মনের গতি কিছুমাত্র পরিবর্তিত হইল না। তিনি পূৰ্ব্ববৎ সম্পূর্ণ উদাসীন ভাবে আরও কিছুকাল মুদিধানার কার্য্য করিতে লাগিলেন। এই সময়ে সহসা ঈশ্বরের দরবার হইতে নানকের আহবান আসিল । একটি ঘটনায় তিনি র্তাস্থার জীবনের উচ্চ লক্ষ্য বুঝিয়া ফেলিলেন। একদিন বাবা নানক তাহার মুদিথানায় বসিয়া আছেন এমন সময়ে এক সন্ন্যাসী আসিয়া তথায় উপস্থিত হইলেন । তিনি কথাএপ্রসঙ্গে নানককে বলিলেন—“ ভগবান আপনাকে অতি মহৎ কার্যের ভার দিয়া সংসারে পাঠাইয়াছেন। আপনার নাম ‘ নানক