পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/৪৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শিখগুরু ও শিখজাতি والاچ۔ বিপন্নও হইয়াছিলেন, কিন্তু সহচরগণের বিশ্বস্ততা তাহাকে সকল বিপদ হইতে রক্ষা করিত ! ধৰ্ম্মজীবনে উন্নত না হইলেও তিনি অনুচর ও শিষ্ণুদিগের অতীব শ্রদ্ধাভাজন হইয়াছিলেন । ১৬৪৫ খ, পঞ্চাশ বৎসর বয়সে হরগোবিন্দের মৃত্যু হ ইল । একজন রাজপুত শিখ গুরুর চিতায় জীবন দান করিয়া তাহার উৎকট গুরুভক্তির পরিচয় দিয়াছিলেন । আরো অনেক শিষ্য পূৰ্ব্বোক্তরূপ অনাবশ্যক জীবনপাতের নিমিত্ত উৎসাহী হইয়া উঠিয়াছিল। গুরু হর রায়ের নিষেধে তাহার প্রতিনিবৃত্ত হইয়াছিল। মৃত্যুর পূৰ্ব্বে হরগোবিন্দ তাহার পৌত্র ( পরলোকগত জ্যেষ্ঠ পুত্রের পুত্ৰ ) হর রায়কে গুরুপদে বরণ করিয়া যান। হরগোবিন্দের পচি পুত্রের মধ্যে চারি পুত্রই তখন জীবিত ছিল। তেগবাহাদুর ব্যতীত অপর তিন জন গুরুপদ পাইবার জন্ত বিবাদ করিতেছিলেন বলিয়া হরগোবিন্দ পুত্রদিগকে বঞ্চিত করিয়া পৌত্রকে গুরুপদ প্রদান করিয়াছিলেন । হর রায়

  • و! مبتہ t) 8 تا ہے؟

হরগোবিন্দ শতদ্রুতীরবর্তী কর্তারপুরে দেহত্যাগ করেন । নুতন গুরু কিছুদিন সেখানে বাস করেন । গুরু হররায় অত্যন্ত ধাৰ্ম্মিক ছিলেন । পঞ্চনদ-দেশের কোন কোন শিথপরিবার এখনও গুরু ইররায়ের বংশধর বলিয়া আপনাদিগকে গৌরবান্বিত মনে করেন । হররায়ের শাসনকাল অতি শাস্তিতেই কাটিয়া গিয়াছিল ।