পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/৪৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


રંr শিখগুরু ও শিখজাতি বিরোধের মীমাংসা হইল বটে, কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে শিশু গুরু আর দেশে ফিরিলেন না । বসন্তু রোগে আক্রান্ত হইয় পথিমধ্যেই তিনি মানবলীলা সংবরণ করিলেন। মৃত্যুর পূৰ্ব্বে তিনি এইমাত্র বলিয়া গেলেন—“বিপাশা নদীর তীরবর্তী গোবিন্দওয়ালের অনতিদূরে বকাল গ্রামে আমার পিতার আত্মীয়ের বাস করেন, ঐ গ্রাম হইতে নবম গুরু নিযুক্ত হইবেন ।” তেগ বাহাদুর జర్ 8 -* : হরকিষণের মৃত্যুকালের উক্তি প্রচারিত হইয়া পড়িলে বকালার সোড়িবংশীয় অনেকেই গুরুপদলাভের নিমিত্ত ব্যাকুল হুইয়া উঠিয়াছিল। নিষ্ঠাবান ও বিরাগী তেগবাহাদুর কিছুকালের নিমিত্ত নীরব রহিলেন । এদিকে রামরায়ও গুরুপদ লাভের জন্য চেষ্টা করিতেছিলেন । কিন্তু অধিকাংশ শিখই ধৰ্ম্মশীল তেগবাহাদুরকে গুরুপদে বরণ করিবার নিমিত্ত উৎসুক হুইল । তেগবাহাদুর এযাবৎকাল সংসারের যাবতীয় ব্যাপারে উদাসীন ছিলেন; তিনি গুরুপদের দায়িত্ব গ্রহণে অনিচ্ছুক হইয়া বলিলেন,-“পিতার তরবারি ধারণের ক্ষমতা আমার নাই, আপনার অন্য কোন ব্যক্তিকে এই পদে নিযুক্ত করুন । আমি তেগবাহাদুর অর্থাৎ সুনিপুণ অসিচালক নহি, আমি দেগবাহাদুর’ অর্থাৎ দরিদ্রের অন্ন-দাতা।” এই সময় দিল্লী হইতে মুখুন সী নামক হরগোবিন্দের এক প্রধান শিষ্য বকালে আগমন করেন । তিনি তেগবাহাদুরকেই প্রণামী দিয়া গুরু বলিয়া অভিবাদন করেন। বহুসংখ্যক শিখের ও জননীর আদেশে তেগবাহাদুরকেই গুরুপদ গ্রহণ করিতে হইল ।