পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/৬৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ప్ర్ర শিথগুরু ও শিথঞ্জাতি প্রস্তুত হইলেন এবং তিনি তাহার পত্নী, পুত্রদ্বয় ও অনুচর চল্লিশজনকে উত্তেজিত করিবার নিমিত্ত বলিলেন--“আমাদের মৃত্যু অনিবাৰ্য্য, তোমরা বীরের দ্যায় মৃত্যুকে আলিঙ্গন করিবার জন্ত প্রস্থত হও । আমি জীবিত থাকিলে তোমাদের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিশ্চিত গ্রহণ করা হইবে।” - অতঃপর গুরু তাহার অল্প কয়েকটি অনুচর সহ বীরের স্থায় অগণ্য মোগলবাহিনীর মধ্যে প্রবেশ করিলেন । তাহার সমক্ষে তদীয় পত্নী ও পুত্রদ্বয় নিহত হইলেন। অনুচরেরাও একে একে রণক্ষেত্রে শয়ন করিল। তিনি ও তাহার পাচ জন অনুচর কোনরূপে পলায়ন করিয়া প্রাণ বঁাচাইলেন । পলায়নকালে গুরু গোবিনা দুইজন পাঠানের হস্তে পতিত হইয়াছিলেন । এই দুইজন পাঠান ইতিপূৰ্ব্বে বিপৎকালে গুরুর নিকট করুণ ব্যবহার পাইয়াছিল । পুৰ্ব্বকথা স্মরণ করিয়া তাহারা গুরুকে বেহুলালপুর জনপদে নিৰ্ব্বিঘ্নে পছছাইয়া দিল। তিনি এখানে কাজি মীর মহম্মদ নামক এক মৌলবীর আশ্রয়ে বাস করিতে লাগিলেন। গুরুগোবিন্দ এই মৌলবীর নিকট পূৰ্ব্বে কোরাণ পাঠ করিয়াছিলেন। বোলালপুর হইতে তিনি ভূটিওরি অরণ্যপ্রদেশে গমন করেন। গুরু গোবিনোর অপূৰ্ব্ব আকর্ষণী শক্তি ছিল, নানা দিক হইতে শিখেরা আসিয়া তাহার সহিত মিলিত হইতে লাগিল । দেখিতে দেখিতে শুরুর অনুচর সংখ্য! আবার স্বাদশ সহস্ৰ হইয়া উঠিল । কঠোর সংগ্রাম ও বিপদরাশি উত্তীর্ণ হইয়। আবার তিনি সুদিন পাইলেন । জনক জননী পত্নী ও পুত্রদিগের শোচনীয় মৃত্যুর প্রতিহিংসা গ্রহণ করিবার বাসন প্রজ্বলিত বহ্নির ছায় তাহার বুকে ধক ধক করিতেছিল। উৎপীড়কগণের গৰ্ব্ব চূর্ণ করিয়া তিনি স্বধৰ্ম্মের প্রতিষ্ঠার নিমিত্ত বন্ধপরিকর হইলেন । বল