পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/৭৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


tos শিখগুরু ও শিখজাতি করিয়ছিল। জনৈক নব দক্ষিত শিথবীর আত্মদান করিয়া কৌশলে বন্দ ও র্তাহার অনুচরগণকে অবরুদ্ধ দুর্গ হইতে পলায়নের পথ করিয়া দিয়াছিলেন । ইহার পর বন্দী কয়েকটি ছোট ছোট যুদ্ধে জয়লাভ করিয়া লাহোরের নিকটবৰ্ত্তী জখুনামক পাৰ্ব্বত্য জনপদে নিৰ্ব্বিম্বে অবস্থান করিতে লাগিলেন । পঞ্চনদপ্রদেশের সমৃদ্ধাংশের অধিবাসীরা তাহার বশুতা স্বীকার করিল । এদিকে বাহাদুর সাহ এতদিনে স্বয়ং লাহোর নগরে উপনীত হইলেন । অত্যন্ত্রকালমধ্যে তথায় তাহার মৃত্যু হয় । ( ১৭১২ খৃষ্টাব্দে, ফেব্রুয়ারী ) { মোগলসম্রাটের মৃত্যুর পরে দিল্লীর সিংহাসন লইয়া আবার লড়াই বাধিয়া গেল । সম্রাটের জ্যেষ্ঠপুত্র জাহান্দর সাহ প্রায় একবৎসর কাল আপনার অধিকার অক্ষুণ্ণ রাখিয়াছিলেন, কিন্তু ১৭১৩ খৃঃ ফেব্রুয়ারী মাসে তাহার ভ্রাতু-পুত্র ফেরোকপিয়ারের হস্তে তিনি নিহত হইলেন । মোগলসাম্রাজ্যের এই আত্মদ্রোহের সুযোগ পাইয়া শিখেরা শক্তিসঞ্চয়ের অবসর পাইল। তাহারা বিপাশা ও ইরাবতী নদীদ্বয়ের মধ্যবৰ্ত্তী প্রদেশে গুরুদাসপুর নামে একটি প্রকাগু কুর্গ নিৰ্ম্মাণ করিল। লাহোরের মুসলমান শাসনকর্তা বন্দীর বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রা করিয়া পরাজিত হইলেন । বিজয়ী বন ক্ষমতায় পঞ্চনদপ্রদেশে অদ্বিতীয় হইয়া উঠিলেন। একদল শিখলৈঙ্গ আবার সিরহিন্দ আক্রমণ করিতে চলিল। তথাকার শাসনকৰ্ত্ত বাইজিদ ধ পথিমধ্যে সৈন্যদলকে আক্রমণ করিতে চলিলেন। জনৈক শিখ অতর্কিতভাবে মুসলমান-শিবিরে প্রবেশ করিয়া শাসনকৰ্ত্তাকে সাংঘাতিকরূপে আহত করিল। মুসলমানসৈন্তের। ভীত হইয়া যুদ্ধে ভঙ্গ দিয়া চতুর্দিকে পলায়ন করিল, সিরহিনী নগর দ্বিতীয়বার শিখদের হস্তে পতিত হইবার সম্ভাবনা হইল । কেহ কেহ বলেন,