পাতা:শিখগুরু ও শিখজাতি.pdf/৭৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


बर्छे अथाष्ट्र es বন্দ সিরহিন্দ অধিকার করিয়াছিলেন। কিন্তু এই উক্তির মূলে কোন ঐতিহাসিক প্রমাণ পাওয়া যায় না । বন্দার পরাক্রমে মোগল সম্রাট ফেরোকসিয়ার চিস্তিত হইলেন । তিনি কাশ্মীরের শাসনকৰ্ত্ত তুরাণী-সেনা-নায়ক আবদুল সম্মদ থাকে পঞ্চনদ প্রদেশের শাসনকৰ্ত্ত নিযুক্ত করিয়া শিখদিগের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালাইতে আদেশ করিলেন। পূৰ্ব্বদেশ হইতে একদল স্বশিক্ষিত সৈন্ত তাহার সাহায্যার্থ প্রেরিত হইল। আবদুল সম্মদ সমস্ত সৈন্তসহ লাহোরে সমবেত হইয়৷ তথা হইতে যুদ্ধে বহির্গত হইলেন। এবার বঙ্গার বিরুদ্ধে অসংখ্য মোগলবাহিনী প্রেরিত হইয়াছে। তিনি পুনঃপুনঃ পরাজিত হইতে লাগিলেন । তেজস্বী বন্দ পরাজিত হইয়াও অদম্য-উদ্যমে যুদ্ধ চালাইতে লাগিলেন । প্রবল শত্রুর সহিত সংগ্রামে শিখের ক্রমে হীনবল হইয়া পড়িল । বন্দী এক স্থান হইতে স্থানান্তরে পলায়ন করিয়া কোনরূপে আত্মরক্ষা করিতেছিলেন । নানাস্থান হইতে তিনি বিতাড়িত হইয় অবশেষে সসৈন্ত গুরুদাসপুর গড়ে আশ্রয় গ্রহণ করিলেন। এখানেও তিনি শত্রুসৈন্য কর্তৃক অবরুদ্ধ হইলেন। মুসলমানের এমন ভীষণ ভাবে দুর্গ বেষ্টন করিয়া রহিল যে, দুর্গবাসী শিধের বাহির হইতে কিছুমাত্র খাস্ত আহরণ করিতে পারিতেছিল না। বন্দ বিষম সঙ্কটে পড়িলেন । দুর্গমধ্যে যে সামান্ত থান্ত সঞ্চিত ছিল তাহ নিঃশেষিত হইয়া গেল। জঠর জ্বালা নিবারণের জন্ত শিখের অশ্ব, গর্দভ এমনকি নিষিদ্ধ ষাড়গুলিও হত্যা করিল। ক্রমে তাহাও ফুরাইয়া গেল। এবার বন্দাকে নিরুপায় হইয়া মুসলমানদের হাতে ধরা দিতে হইল । বন ৭০০ শিখসৈন্তসহ বন্দী হইলেন । বিজয়ী মোগলের বন্দীদিগকে লইয়া দিল্লীযাত্ৰা করিল। নিহত শিখদিগের ছিন্নমুণ্ড বর্ষাফলকে বিদ্ধ করিয়া রণজয়ী মোগলসৈন্তেরঃ