পাতা:শুভদা (নাটক) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.pdf/৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


{নিজের বাড়ী থেকে গান করতে করতে সদানন্দ বা সদানন্দ চক্রবর্তী ওরকে সদাপাগলা গঙ্গার ঘাটে এসে পৌছিল। প্ৰথমে সে বাড়ী থেকে বেরুলো। তার বাষ্ঠী বেশ স্বচ্ছন্দ ও স্বচ্ছল আর্থিক অবস্থা সম্পন্ন গৃহস্থের বাড়ী ; যানের গোলা, ডালের অন্নাই, গুড়ের জালা, নারিকেলের ডাই থেকে আরম্ভ করে দু’একটা ক্ষুধালো গরু ও বাছুর, তাদের তাঁর কারক একজন কৃষাণ। বেলগাছ, তুলসী মন্দির ও তার বুড়ি পিসীমা সবই আছে তার বাড়ীতে। বাড়ী থেকে বেরিয়ে সদানন্দ যায় গ্রামের পথ দিয়ে । একদিকে ক্ষেতখামার অন্যদিকে রাখাল গরুর পাল লিয়ে যায় মাঠে সে চলে যায় “হলুদপুর উচ্চ প্ৰাইমারী বিদ্যালয়” যেখানে শিশুগণ দেয় মন নিজ নিজ পাঠে—তার পাশে "হলুদপুর ব্রাঞ্চ পোষ্ট অফিস ।’’ গনমুখে সদানন্দ চলে ঘাটের দিকে।--কলসী কঁাকে স্নানাধিনীরা যাচ্ছে নদীর দিকে । কেউ বা ফিরে আসছে স্নান সেরে । ভবতারণ গাঙ্গুলীর আটচালায় বুড়োরা তামাক খাচ্ছে। কাতুর বাড়ীর সম্মুখ। কাতৃ উঠোন বঁট দিচ্ছে। হারাণ মুখুজ্যেদের জরাজীর্ণ বাড়ীর সামনে দিয়ে যায় সদানন্দ । গরান্দ ভাঙ্গা জানালা দিয়ে হাসিমুখে তার দিকে তাকিয়ে থাকে ললন। হাত তুলে গান গাইতে গাইতে আশীৰ্ব্বাদ জানায় সদানন্দ । তার গান যেন আরও জীবন্ত হয়ে ওঠে । ভাঙ্গা শিবমন্দির। তার ভাঙ্গা দরজার ফ্যাক দিয়েই শিবঠাকুরকে ४र्थों भांश ! সদানন্দ গান মুখে নিয়ে সেই মন্দিরের ভেতরে ঢোকে-দুৰ্দশটা করা পাতা পরিষ্কার করে, একটা প্ৰণামও করে ঘণ্টা বাজিয়ে। সে চলে যায় श्चन्न फैन्द्र कि ! ر