পাতা:শুভদা (নাটক) - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.pdf/৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


স্বানের ঘাট । মানের ঘাটে সুনার্থিনীদের ভিড় । নানা বয়সের স্ত্রী-পুরুষেরা স্নানের ঘাটের দিকে চলেছে। অধিকাংশ স্ত্রীলোক । পুরুষেরা মাথায় তেল, কঁধে গামছা, নানা রকম গ্ৰাম্য কায়েদায় মেয়ের কঁাকে পেতল ও মাটীর কলসী । সঙ্গে দুই-একটি ছেলেপিলেও আছে। সকলের সেরা কেষ্টঠাকুরাণী সকলের আগে আসে, সকলের শেষে যায়-গ্রামের সব কিছুই রচনা ও রটনার কেন্দ্ৰস্থল। কেষ্টঠাকুরাণী। বলি, আমি কি কারো পাকা ধানে মই দিয়েছি।--না-কারো ধার করে খোইছি ? আমি করে সাতে নেই পাচে নেই নিজের মনে থাকি-তবু আমাকে না খোঁচালে গায়ের লোকের ভাত হজম হয় না। ওপরে দপ্লহারী মধুসূদন আছেন! আজ একাদশীর দিনে এই বাসী মুখে বলছি-ঠাকুর তুমি বিচার কোরো ! ( মোক্ষদার প্রবেশ । ) মক্ষদা। কী হলো, কেষ্ট দি ? কেষ্ট । এই মানুষের আক্কেলকে ধিক দিচ্ছি ! সকালবেলা দুগগা দুৰ্গগা বলে বাড়ী থেকে বেরিয়েছি আমি, ঐ ভবতারণের মেয়ে বিন্দু বলে কি না।--তাও আবার আমার শুনিয়ে শুনিয়ে-ঐ পাড়াকুতুলী কেষ্টঠাকুরাণী যাচ্ছে ! ক্ষেমাদ । ওমা-তাই নাকি ! কেষ্ট-তবে কি আমি এই প্ৰাত্তোকালে বাসী মুখে মিথ্যে বলছি ! ও হাত ভরা সোনার চুড়ির দপ্ল বেশীদিন থাকবে না ! আমার স্বামী সোয়াগী ! তবু যদি না জানতাম の平*研|l や RFV版1何fー! )