পাতা:শেষ প্রশ্ন.djvu/১৫২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শেষ প্রশ্ন Ꮌ8br আৰ্য্যরক্ত সস্তুত কোন পাষণ্ড ইহার প্রতিবাদ করিতে পারে ? পারেন, এবং পারিবার মত দুৰ্ম্মতি-পরায়ণ লোকও কেহ সেখানে ছিলনা। হরেন্দ্র মাতিয়া উঠিল । কিন্তু ইহা তপস্যা এবং সাধনার বস্তু বলিয়া সমস্ত ব্যাপারটাই সাধ্যমত গোপনে রাখা হইতে লাগিল, কেবল রাজেন ও সতীশ মাঝে মাঝে দেশে গিয়া ছেলে সংগ্ৰহ করিয়া আনিতে লাগিল। যাহারা বয়সে ছোট তাহারা স্কুলে প্রবেশ করিল, যাহারা সে শিক্ষায় উত্তীর্ণ হইয়াছে তাহারা হরেন্দ্রর চেষ্টায় কোন একটা কলেজে গিয়া ভৰ্ত্তি হইল,—এইরূপে অল্পকালেই প্রায় সমস্ত বাড়ীটাই নানা বয়সের ছেলের দলে পরিপূর্ণ হইয়া উঠিল। বাহিরের লোকে বিশেষ কিছু জানিতওনা, জানিবার চেষ্টাও করিতনা । শুধু এই টুকুই সকলে ভাসা-ভাসা রকমের শুনিতে পাইল যে হরেন্দ্রর বাসায় থাকিয়া কতকগুলি দরিদ্র বাঙালীর ছেলেরা লেখাপড়া করে। ইহার অধিক অবিনাশও জানিতনা, নীলিমাও না । { সতীশের কঠোর শাসনে বাসায় মাছ মাংস আসিবার যো নাই, ব্রাহ্ম-মুহূৰ্ত্তে উঠিয়া সকলকে স্তোত্রপাঠ, ধ্যান, প্রাণায়াম প্রভৃতি শাস্ত্রবিহিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করিতে হয়, পরে লেখাপড়া ও নিত্যকৰ্ম্ম । কিন্তু কর্তৃপক্ষদের ইহাতেও মন উঠিলনা, সাধন-মার্গ ক্রমশঃ কঠোরতর হইয়া উঠিল। বামুন পলাইল, চাকরদের জবাব দেওয়া হইল,—অতএব, এ কাজগুলাও পালা করিয়া ছেলেদের ঘাড়ে পড়িল । কোনদিন একটা তুরকারি হয়, কোনদিন বা তাহা হইয়া উঠেন। ছেলেদের পড়া-শুনা গেল, ইস্কুলে তাহাঁরা বকুনি খাইতে লাগিল, কিন্তু কঠিন বাধা নিয়মের শৈল্যি ঘটিলনা—এমৃনি কড়াকড়ি । কেবল একটা অনিয়ম, ছিল বাহিরে কোথাও আহারের নিমন্ত্রণ জুটিলে। নীলিমার কি একটা ব্ৰত উদ্‌যাপন উপলক্ষে এই ব্যতিক্রম হরেন্দ্র জোর করিয়া