প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শেষ প্রশ্ন.djvu/২৪৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শেষ প্রশ্ন Sペo বোধ হয় আশ্চৰ্য্য হোলো, কিন্তু রাগ অভিমান কিছুই করলেন, শান্ত , মুখে আমার পানে চেয়ে বললে, আমি প্রতিদিনই ভেবে দেখি আগুবাবুf দুঃখ যে পাইনি তা বলিনে, কিন্তু তাকেই জীবনের শেষ সত্য বলে মেনেও নিইনি। শিবনাথের দেবার যা’ ছিল তিনি দিয়েছেন, আমার পাবার যা ছিল তা পেয়েছি,—আনন্দের সেই ছোট-ছোট ক্ষণগুলি মনের মধ্যে আমার মণি-মাণিক্যের মত সঞ্চিত হয়ে আছে। নিম্ফল চিত্ত দাহে পুড়িয়ে তাদের ছাই করেও ফেলিনি, শুকৃনো ঝরণার নীচে গিয়ে ভিক্ষে দাও বলে শূন্ত দু-হাত পেতে দাড়িয়েও থাকিনি। তার ভালোবাসার আয়ুঃ যখন ফুরলো, তাকে শান্তমনেই বিদায় দিলাম, আক্ষেপ ও অভিযোগের ধুয়ায় আকাশ কালো করে তুলুতে আমার প্রবৃত্তিই হোলো না । তাই, তার সম্বন্ধে আমার সেদিনের আচরণ আপনাদের কাছে এমন অদ্ভুত ঠেকেছিল। আপনারা ভাবুলেন এতবড় অপরাধ কমল মাপ করলে কি কোরে ? কিন্তু অপরাধের কথার চেয়ে মনে এসেছিল সেদিন নিজেরই দুর্ভাগের কথা । {} মনে হোলো যেন তার চোখের কোণে জল দেখা দিলে । হয়ত সত্যি, হয়ত আমারই ভুল, বুকের ভেতরটা যেন ব্যথায় মুচড়ে উঠলো— এর সঙ্গে আমার প্রভেদ কতটুকু,—বোল্লাম, কমল, এমুনি মণিমাণিক্যের সঞ্চয় আমারো আছে—সেই তো সাত রাজার ধন—আর আমরা লোভ করতে যাবো কিসের তরে বলে। ত ? কমল চুপ ক’রে চেয়ে রইলো। জিজ্ঞাসা কোরলাম, এ জীবনে তুমিই কি আর কাউকে কখনো ভালোবাসতে পারবে কমল ? এমুনি, ধারা সমস্ত দেহ-মন দিয়ে তাকে গ্রহণ করতে ? ᏡᏪ কমল অবিচলিত কণ্ঠে জবাব দিলে, অন্ততঃ, সেই আশা নিয়েই তো বেঁচে থাকতে হবে আগুবাবু। অসময়ে মেঘের আঁড়ালে আজ