প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শেষ প্রশ্ন.djvu/৩১৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শেষ প্রশ্ন । ” ඵS R বলিলেন, অথচ, স্বামী-পুত্রে সৌভাগ্যবতী যারা তারা স্নেহে, প্রেমে, সৌন্দর্ঘ্যে, মাধুর্য্যে এমনি পরিপূর্ণ হয়ে ওঠেন যে, জীবনের এতবড় সঙ্কটকাল যে কবে কোন পথে অতিবাহিত হয়ে যায়"টেরও পাননা । নীলিমা বলিল, ভাগ্যবতীদের ঈর্ষা করিনে আশুবাবু, সে প্রেরণা মনের মধ্যে আজও এসে পৌছয়নি, কিন্তু ভাগ্য দোষে যারা আমাদের মতো ভবিষ্যতের সকল আশায় জলাঞ্জলি দিয়েছে তাদের পথের নির্দেশ কোন দিকে আমাকে বলে দিতে পারেন ? আশুবাবু কিছুক্ষণ স্তন্ধভাবে বসিয়া রহিলেন, পরে কহিলেন, এর জবাবে আমি শুধু বড়দের কথার প্রতিধ্বনি মাত্রই করতে পারি নীলিমা, তার বেশি শক্তি নেই। তারা বলেন, পরার্থে আপনাকে উৎসর্গ করে দিতে। সংসারে দুঃখেরও অভাব নেই, আত্ম-নিবেদনের দৃষ্টান্তেরও অসদ্ভাব নেই। এসব আমিও জানি,—কিন্তু এর शाग्रं নারীর অবিরুদ্ধ, কল্যাণময়, সত্যকার আনন্দ আছে কি না আজও আমি নিঃসংশয়ে জানিনে নীলিমা। " " . so হরেন্দ্র জিজ্ঞাসা করিল, এ সন্দেহ কি আপনার বরাবর ছিল ? আশুবাবু মনে মনে যেন কুষ্ঠিত হইলেন, একটু থামিয়া বলিলেন, ঠিক স্মরণ করতে পারিনে হরেন। তখন, দিন দুই তিন হোলো মনোরম চলে গেছেন, মন ভারাতুর, দেহ বিবশ, এই চৌকিটাতেই চুপ ক’রে পড়ে আছি, হঠাৎ দেখি কমল এসে উপস্থিত । আদর ক’রে ডেকে কাছে বসালাম। আমার ব্যুথার যায়গাটা সে সাবধানে পাশকাটিয়ে যেতেই চাইলে, কিন্তু পারলেন । কথায় কথায় এই ধরণের কি একটা প্রসঙ্গ উঠে পড়লো, তখন, আর তার হুস রইলনা । তোমরা জানই ত তাকে, প্রাচীন যা-কিছু তার পরেই তার প্রবল বিতৃষ্ণা। নাড়া দিয়ে ভেঙে ফেলাই যেন তার passioা । মন সায় দিতে চায়ন,