প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শেষ প্রশ্ন.djvu/৩২২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


|ర్ఫి a শেষ প্রশ্ন তবে মানুষে সত্য করে আপনাকে পায় ? স্বেচ্ছায় দুঃখ-বরণের মধ্যেই আত্মার যথার্থ প্রতিষ্ঠা ? কমল বললে, তিনি বলতেন, মানুষকে নিঃশেষে শুষে নেবার দুরতিসন্ধি যাদের তারাই অপরকে নিঃশেষে দান করার দুবুদ্ধি যোগায়। দুঃখের উপলব্ধি যাদের নেই, তারাই দুঃখ-বরণের মহিমায় পঞ্চমুখ হয়ে ওঠে। জগতের দুলৰ্ভঘ্য শাসনের দুঃখ ত ও নয়,—ওকে যেন স্বেচ্ছায় যেচে ঘরে ডেকে আনা। অর্থহীন সৌধীন জিনিসের মত ও শুধু ছেলেখেলা । তার বড় নয় ! বিস্ময়ে হতবুদ্ধি হয়ে গেলাম। বোল্লাম, কমল, তোমার বাবা কি তোমাকে কেবল নিছক ভোগের মন্ত্রই দিয়ে গেছেন ?, এবং জগতে যা কিছু মহৎ তাকেই অশ্রদ্ধায় তাচ্ছিল্য করতে ? কমল এ অনুযোগ বোধ করি আশা করেনি, ক্ষুন্ন হয়ে উত্তর দিলে, এ আপনার অসহিষ্ণুতার কথা আঙুবাবু। আপনি নিশ্চয় জানেন, কোন বাপই আর মেয়েকে এমন স্ত্র দিয়ে যেতে পারেননা। আমার বাবাকে আপনি অবিচার করচেন। তিনি সাধু লোক ছিলেন। . বোল্লাম, তুমি যা বল্‌চে, সত্যিই এ শিক্ষা যদি তিনি দিয়ে গিয়ে থাকেন তাকে সুবিচার করাও শক্ত। মনোরমার জননীর মৃত্যুর পরে অন্য কোন স্ত্রীলোককে আমি যে ভালোবাসতে পারিনি শুনে তুমি বলেছিলে এ চিত্তের অক্ষমতা,—এবং অক্ষমতা নিয়ে গৌরব করা চলেন। মৃত-পত্নীর স্মৃতির সম্মানুকে তুমি নিফল আঙ্গুনিগ্রহ বলে উপেক্ষার চোখে দেখেছিলে। সংযমের কোন অর্থ-ই সেদিন তুমি দেখতে পাওনি— , কমল বললে, আজও পাইনে আশুবাবু-সংযম যেখানে উদ্ধত আস্ফালনে জীবঙ্গের অঞ্চনন্দকে স্নান কোরে আনে। ও তো কোন