প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শ্রীকান্ত (তৃতীয় পর্ব).djvu/১৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


(to भब्रएङ्गछमाबळें আমারও সময়টা মন্দ কাটিল না। বোধ করি একটু তাম্রামগই হইয়াছিলাম, সহসা শুনিলাম—প্রশ্ন হইল, হা আনন্দ, তোমার ঐ বাজটিতে কি আছে ভাই ? উত্তর আসিল, গোটা-কয়েক বই আর ওষুধপত্র আছে দিদি। ওশুধ কেন ? তুমি কি ডাক্তার। আমি সন্ন্যাসী। আচ্ছা, আপনি কি শোনেন নি দিদি, আপনাদের ওদিকে কি রকম কলেরা হচ্ছে? কই না! সে কথা ত আমাদের গোমস্তা আমাকে জানান নি। আচ্ছা ঠাকুরপো, তুমি কলেরা সারাতে পার? সাধুজী একটু মৌন থাকিয়া বলিলেন, সারাবার মালিক ত আমরা নই দিমি, আমরা শুধু ওষুধ দিয়ে চেষ্টা করতে পারি। কিন্তু এও দরকার, এও তারই হুকুম। রাজলক্ষ্মী বলিল, সন্ন্যাসীতেও ওষুধ দেয় বটে, কিন্তু ওষুধ দেবার জন্যেই ত সন্ন্যাসী হতে হয় না। আচ্ছা আনন্দ, তুমি কি কেবল এইজন্যেই সন্ন্যাসী হয়েছ ভাই ? সাধু কছিলেন, সে ঠিক জানিনে দিদি। তবে দেশের সেবা করাও আমাদের একটা ব্রত বটে। আমাদের? তবে বুঝি তোমাদের একটা দল আছে ঠাকুরপো ? সাধু জবাব না দিয়া চুপ করিয়া রহিলেন। রাজলক্ষ্মী পুনশ্চ কহিল, কিন্তু সেবা করার জন্য ত সন্ন্যাসী হবার দরকার হয় না ভাই। তোমাকে এ মত-বুদ্ধি কে দিলে বল ত? সাধু এ প্রশ্নেরও বোধ হয় উত্তর দিলেন না, কারণ কিছুক্ষণ পর্যন্ত কোন কথাই কাহারও শুনিতে পাইলাম না। মিনিট-দশেক পরে কানে গেল সাধু কহিতেছেন, দিদি, আমি ছোট্ট সন্ন্যাসী, আমাকে ও-নাম না দিলেও চলে। কেবল নিজের কতকগুলো ভার ফেলে দিয়ে তার জায়গায় অপরের বোঝা তুলে নিয়েছি। রাজলক্ষ্মী কথা কহিল না। সাধু বলিতে লাগিলেন, আমি প্রথম থেকেই দেখতে পেয়েচি, আপনি আমাকে ক্রমাগত ঘরে ফেরাবার চেষ্টা করচেন। কেন জানিনে, বোধ হয় দিদি বলেই । কিন্তু যাদের ভার নিতে আমরা ঘর ছেড়ে বেরিয়েচি, এরা যে কত দুর্বল, কত রুগ্ন, কিরূপ নিরুপায় এবং সংখ্যায় কত, এ যদি একবার জানেন ত ও-কথা আর মনেও আনতে পারবেন না। ইহারও রাজলক্ষ্মী কোন উত্তর দিল না। কিন্তু আমি বুঝিলাম, যে প্রসঙ্গ উঠিল এইবার উভয়ের মন এবং মতের মিল হইতে বিলম্ব হইবে না। সাধুজীও ঠিক জায়গাতেই আঘাত করিলেন। দেশের আভ্যন্তরিন অবস্থা, ইহার সুখ, ইহার দুঃখ ইহার অভাব আমি নিজেও নিতান্ত কম জানি না ; কিন্তু এই সন্ন্যাসীটি যেই হোন, তিনি এই বয়সেই আমার চেয়ে ঢের বেশি ঘনিষ্ঠভাবে দেখিয়াছেন এবং ঢের বড় হৃদয় দিয়া তাহাদিগকে নিজের করিয়া লইয়াছেন। শুনিতে শুনিতে চোখের ঘুম জলে পরিবর্তিত হইয়া উঠিল এবং বুকের ভিতরটা ক্রোধে ক্ষোভে দুঃখে ব্যথায় যেন মথিত হইয়া যাইতে লাগিল। ও-গাড়ির অন্ধকার কোশে একাকী বসিয়া রাজলক্ষ্মী একটা প্রশ্নও করিল না, একটা কথাতেও কথা যোগ করিল না। তাহার নীরবতায় সাধুজী কি ভাবিলেন তাহা তিনিই জানেন, কিন্তু এই একাত্ত ভজ্ঞতার পরিপূর্ণ অর্থ আমার কাছে গোপন রহিল না। মেশ বলিতে যেথায় দেশের টেঙ্গ আনা নর-নারী বাস করেন, সেই পত্নীগ্রামের কাহিনীই সাধু विवृठ कब्रिtठ जागिरनम। cमरन अण माहे. यान नाई, वाश नाई-खऋनद्र श्रावखनाग्न cयथाग्न भूछ आरना eबाबूझ *थ ब्रन्क, cषथाझ खान नाँदै, दिमा नाई। शध cयथाग्न विकृठ, नथञछ, भृङकत्र, জন্মভূমির সেই দুঃখের বিবরণ ছাপার অক্ষরেও পড়িয়ছি, নিজের চোখেও দেখিয়াছি ; কিন্তু এই নাথাকা যে কত বড় না-থাকা, মনে হইল আজিকার পূর্বে তাহ যেন জানিতামই না। দেশের এই সৈন্য যে কিরাপ ভয়ঙ্কর দীনতা, আজিকার পূর্বে তাহার ধারণাই যেন আমার ছিল না। DD BB BBD u BB BD DDD BBBBBS BBB D BBB DDD DD DBBS DBDD BBD D BD DDBB BBDD DD DBBB BD DS DDBSBBB BBB