পাতা:শ্রীকান্ত (তৃতীয় পর্ব).djvu/১৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


♚कनख-कृCीव्र अर्थ @8气 BB BDD DD DDS DDDD BBBS BDD DBB D BBB D DD DDBB DBB অজানার দিকে ধীর মন্থরগতিতে অবিশ্রাম চলিয়ছি। অনুচরদিগের মধ্যে কে জাগিয়া, আর কে নাই, জানা গেল না-সবাই শীতবস্ত্রে সর্বাঙ্গ আবৃত করিয়া নীরব। কেবল এক সন্ন্যাসী আমাদের সঙ্গে লইয়াছে এবং পরিপূর্ণ স্তব্ধতার মাঝে তাহারই মুখ দিয়া কেবল দেশের অজ্ঞাত ভাই-ভগিনীর অসহ্য বেদনার ইতিহাস যেন ঝলকে ঝলকে জুলিয়া জলিয়া বাহির হইয়া আসিতেছে। এই সোনার মাটি কেমন করিয়া বীরে ধীরে এমন শুদ্ধ, এমন রিক্ত হইয়া উঠিল, কেমন করিয়া দেশের সমস্ত সম্পদ বিদেশীর হাত দিয়া ধীরে ধীরে বিদেশে চলিয়া গেল, কেমন করিয়া মাতৃভূমির সমস্ত মেদ-মজ্জা রক্ত বিদেশীরা শোষণ করিয়া লইল, চোখের উপর ইহার জলন্ত ইতিহাস ছেলেটি যেন একটি একটি করিয়া উদঘাটিত করিয়া দেখাইতে লাগিল । সহসা সাধু রাজলক্ষ্মীকে সম্বোধন করিয়া কহিলেন, মনে হয় তোমাকে যেন আমি চিনতে পেরেচি দিদি। মনে হয় তোমাদের মত মেয়েদের নিয়ে গিয়ে একবার তোমাদেরই ভাই-বোলেদের নিজের চোখে দেখাই । রাজলক্ষ্মী প্রথমে কথা বলিতে পারিল না ; তার পরে ভাঙ্গা গলায় কহিল, আমার কি সে সুযোগ হতে পারে আনন্দ! আমি যে মেয়েমানুষ, এ কথা কি করে ভুলব ভাই! সাধু কহিলেন, কেন হতে পারে না দিদি ? আর তুমি মেয়েমানুষ, এই কথাটাই যদি ভোলো ত কষ্ট করে তোমাকে ওসব দেখিয়ে আমার কি লাভ হবে ? EI: সাধু জিজ্ঞাসা করিলেন, গঙ্গামাটি কি তোমাদের জমিদারি দিদি ? রাজলক্ষ্মী একটু হাসিয়া কহিল, দেখচ কি ভাই, আমরা একটা মস্ত জমিদার। এবার উত্তর দিতে গিয়া সাধুও একটুখানি হাসিয়া ফেলিলেন । বলিলেন, মস্ত জমিদারি কিন্তু মস্ত সৌভাগ্য নয়, দিদি। তাহার কথায়, তাহার পার্থিব অবস্থা সম্বন্ধে আমার এক প্রকার সন্দেহ জন্মিল, কিন্তু রাজলক্ষ্মী সে দিক দিয়া গেল না। সে সরলভাবে তৎক্ষণাৎ স্বীকার করিয়া লইয়া কহিল, সে কথা সত্যি আনন্দ । ওসব যত দূর হয়ে যায় ততই ভাল। আচ্ছা দিদি, উনি ভাল হয়ে গেলেই তোমরা আবার শহরে ফিরে যাবে ? ফিরে যাবে? কিন্তু আজ সে ত অনেক দূরের কথা ভাই! সাধু কহিলেন, পার ত আর ফিরো না দিদি। এই সব দরিদ্র দুর্ভাগগুলো তোমরা ফেলে চলে গেছ বলেই এদের দুঃখ-কষ্ট এমন চতুগুণ হয়ে উঠেচে। যখন কাছে ছিলে তখনও যে এদের কষ্ট তোমরা দাও নি তা নয়, কিন্তু দূরে থেকে এমন নির্মম দুঃখ তাদের দিতে পারনি। তখন দুঃখ যেমন দিয়েচ, দুঃখের ভাগও তেমনি নিয়েচ। দিদি, দেশের রাজা যদি দেশেই বাস করে, দেশের দুঃখ-দৈন্য বোধ করি এমন কানায় কানায় ভর্তি হয়ে ওঠে না। আর এই কানায় কলায় বলতে যে কি বোঝায় তোমাদের শহরবাসের সর্বপ্রকার আহার-বিহারের যোগান দেবার অভাৰ এবং অপব্যয়টা যে কি, এ যদি একবার চোখ মেলে দেখতে পার দিদি— झै अनन्ध, याक्लिङ्ग खान्ग भन cज्रामान्न कंधन करश्न मा সাধু সংক্ষেপে কছিলেন, না। সে বেচারা বুঝিল না, কিন্তু আমি বুজিলায় রাজলক্ষ্মী প্রসঙ্গটা চাপা দিয়া ফেলিল, কেবল সহিতে পারিতেছিল না বলিয়াই। কিছুক্ষণ মৌন থাকিয়া রাজলক্ষ্মী ব্যথিত কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করিল, বাড়িতে তোমার ক্ষ কে আছেন? সাধু কছিলেন, কিন্তু বাড়ি ত এখন আর আমার নেই। রাজলক্ষ্মী আবার অনেকক্ষণ নীরবে থাকিয়া কহিল, আচ্ছা আনন্দ, এই বয়সে সন্ন্যাসী হয়ে কি তুমি শান্তি পেয়েচ ? সাধু হাসিয়া কছিলেন, ওরে বাস রে! সন্ন্যাসীর অত লোভ! না দিদি, আমি কেবল পরের দুঃখের ভার মিত্তে একটু চেয়েটি, তাই শুধু পেয়েটি।