পাতা:শ্রীকান্ত (তৃতীয় পর্ব).djvu/১৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ইকাণ্ড-তৃতীয় পর্ব 隆鞑 চেয়েও ছোট, সেই হতভাগ্য বলিকটার উপর। তাহাকে সে একটা প্রচণ্ড ধমক দিয়া কহিয়া উঠিল, DDD BB BS BB BB BD DD DB BBBDDS BB BB BB BBB BBS BBB সে কেবল চোখ-মুখের ভঙ্গিতেই ছেলেটাকে যেন গলাধাকা দিয়া ঠেলিয়া লইয়া গেল। তাহার কাগু দেখিয়া সাধু হাসিলেন, আমিও হাসিলাম। রাজলক্ষ্মী নিজেও একটু সলজ হাসি হাসিয়া কহিল, গ্রামটা যে তোলপাড় করে তুললে আনন্দ সাধুদের বুঝি রাত না পোয়াতেই চা চাই! সাধু বলিলেন, গৃহীদের রাত পোহয় নি বলে বুঝি আমামেরও পোহবে না? বেশ ত! কিন্তু দুধের যোগাড় যে করা চাই। আচ্ছ, বাড়িটার মধ্যে ঢুকে দেখা যাক, কাঠ-ফুটে উনুন-টুনুন আছে কি না। ওহে কর্তা, চল না দাদা, কার ঘরে গরু আছে একটু দেখিয়ে দেবে। দিদি, কালকের সেই হঁড়িটায় বরফি কিছু ছিল না? না, গাড়ির মধ্যে অন্ধকারে তাকে শেষ করেচেন? রাজলক্ষ্মী হাসিয়া ফেলিল। পাড়ার যে দু-চারজন মেয়ের দূরে দাঁড়াইয়া দেখিতেছিল তাহারাও মুখ ফিরাইল। এমন সময় গোমস্ত কাশীরাম কুশারীমহাশয় হস্তদন্তভাবে আসিয়া উপস্থিত হইলেন। সঙ্গে তাহার তিন-চারজন লোক, কাহারে মাথায় কুড়িভরা শাক-সবজি ও তরিতরকারি, কাহারে হাতে ঘটিভর দুখ, কাহারো হাতে দধির ভাণ্ড, কাহারে হাতে একটু বৃহদায়তন রোহিত মৎস্য। রাজলক্ষ্মী তাহাকে প্ৰণাম করিল। তিনি আশীর্বাদের সঙ্গে সঙ্গে এই সামান্য একটু বিলম্বের জন্য বহুবিধ কৈফিয়ত দিতে লাগিলেন। লোকটিকে আমার ভাল বলিয়াই মনে হইল। বয়স পঞ্চাশের উপর গিয়াছে। কিছু কৃশ, দাড়ি-গোঁফ কামনো—রঙটি ফর্সার দিকেই। আমি তাহাকে নমস্কার করিলাম, তিনিও প্রতি-নমস্কার করিলেন। কিন্তু সাধুজী এ সকল প্রচলিত ভদ্রতার ধার দিয়াও গেলেন না। তিনি তরকারির কুড়িটা স্বহস্তে নামাইয়া লইয়া তাহদের পুঙ্খানুপুঙ্খরাপে বিশ্লেষণ করিয়া বিশেষ প্রশংসা করিলেন ; দুধ যে খটি সে বিষয়ে নিঃসংশয় মত দিলেন, এবং মৎস্যটির ওজন কত তাহ অনুমান করিয়া ইহার আস্বাদসম্বন্ধে উপস্থিত সকলকেই আশান্বিত করিয়া তুলিলেন। এই সাধূমহারাক্তেব শুভাগমন সম্বন্ধে গোমস্ত মহাশয় পূর্বাহ্নে কোন সংবাদ পান নাই ; তিনি কৌতুহলী হইয়া উঠিলেন। রাজলক্ষ্মী কহিল, সন্ন্যাসী দেখে ভয় পাবেন না কুশারীমশাই, ওটি আমার སྒྱུཟླ་ ཐང་མ་ ཐག་ཨ་སྐལྟས་ཟ ཝ་ཅིང་། ཕ་༢ གཟ གཟ གཡག ཐ་ཅ་ཨག যেন আমার একটা কাজ হয়ে | কথাটা সাধুজীর কানে গেল। কহিলেন, এ কাজটা তত সহজে হবে না দিদি। বলিয়া আমার প্রতি কটাক্ষে চাহিয়া তিনি একটুখানি হাসিলেন। ইহার অর্থ আমিও বুঝিলাম, রাজলক্ষ্মীও বুকিল। সে কিন্তু প্রত্যুত্তরে কেবল একটু মুখ টিপিয়া হাসিয়া বলিল, সে দেখা যাবে। বাটীর ভিতরে প্রবেশ করিয়া দেখা গেল, কুশারীমহাশয় বন্দোবস্ত বড় মপ করেন নাই। অত্যন্ত তাড়াতাড়ি বলিয়া তিনি নিজে সরিয়া গিয়া পুরাতন কাছারি-গৃহটিকেই কিছু কিছু সংস্কার এবং পরিবর্তন করিয়া দিব্য বাসোপযোগী করিয়া তুলিয়াছেন। ভিতরে রায়া এবং ভাড়ারম্বর ছাড়া শোবার স্বর দুটি। ঘরগুলি মাটির, খড় দিয়া ছাওয়া, কিন্তু বেশ উচু এবং বড়। বাহিরে বসিবার ঘরখানিও চমৎকার পরিপাটি। প্রাঙ্গণ প্রশস্ত, পরিষ্কার এবং মাটির প্রাচীর দিয়া ঘেরা। একধারে একটি ছোট কূপ এবং তাহারই অদূরে গোটা দুই-তিন টগর ও শেফালি বৃক্ষ। আর একদিকে অনেকগুলি ছোট-বড় তুলসীগাছের সারি এবং গোটা-চারেক খুঁই ও মল্পিকা ফুলের ঝাড়। সবসুদ্ধ জায়গাটা দেখিয়া যেন তৃপ্তিবোধ হইল। সকলের চেয়ে উৎসাহ দেখা গেল সন্ন্যাসীভায়ার। যাহা কিছু তাহার চোখে পড়িল তাহতেই উচ্চকণ্ঠে আনন্দ প্রকাশ করিতে লাগিলেন, যেন এমন আর কখনও দেখেন নাই। জমি কলরব না তুলিলেও মনে মনে খুশিই হইয়াছিলাম। রাজলক্ষ্মী তাহার ভাইয়ের জন্য রান্নাঘরে চা তৈরি করিতেছি, অতএব মুখের ভাব তাহার চোখে দেখা গেল না বটে, কিন্তু মনের ভাব তাহার কাহারও কাছে অবিদিত ছিল না। কেবল দলে ভিড়িল না রতন। সে মুখখানা তেমনি ভারী করিয়াই একটা খুঁট ঠেস দিয়া SSBBBB BBD DDSD DDD DBBS BBBD DDD DDBB BBBB BBB B নিঃশশো পান করিয়া উঠিলেন এবং আমাকে কছিলেন, চলুন না, গ্রামখানা একবার দেখে আসা যাক।