প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শ্রীকান্ত (তৃতীয় পর্ব).djvu/২৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


बैंलेकाड-फूडीग्न न्वं Głół? রাখাল মুখ ভাঙাইয়া প্রতিবাদ করিয়া বলিল, ই দিত। পাঁচখানা গাঁয়ে ছাদ, বিয়ে নিত্যি দিচ্ছি, আর আমি জানিনে মস্তর। মনে ভাবিলাম, এখানেও সেই মন্ত্ৰ! কিন্তু বাটীতে রাজলক্ষ্মীর কাছে না হয় স্ট্রেীন থাকিয়াই তর্কের জবাব দিয়াছি, কিন্তু এখানে যদি যথার্থ-ই মধ্যস্থতা করিতে হয় ত বিপদে পড়িতে হইলে । অবশেষে বহু বাদবিতণ্ডায় স্থির হইল যে, রাখালই মন্ত্র পাঠ করাইবে, কিন্তু ভুল যদি কোথাও হয় ত শিবুকে আসন ছাড়িয়া দিতে হইবে। রাখাল রাজী হইয়া পুরোহিতের আসন গ্রহণ করিল এবং কন্যার পিতার হাতে কয়েকটা ফুল এবং বর-কন্যার দুই হাত একত্র করিয়া দিয়া যে বৈদিক মন্ত্রপাঠ করিল তাহ আমার আজও মনে আছে। এগুলি সঞ্জীব কি না জানি না, এবং মন্ত্র সম্বন্ধে কোন জ্ঞান না থাকা সত্ত্বেও সন্দেহ হয়, বেদে ঠিক এই কথাগুলিই ঋষির সৃষ্টি করিয়া যান নাই। রাখাল পণ্ডিত বরকে বলিলেন, বল, মধু ডোমায় কন্যায় নমঃ । বর আবৃত্তি করিল, মধু ডোমায় কন্যায় নমঃ । রাখাল কন্যকে বলিলেন, বল, ভগবতী ডোমায় পুত্রায় নমঃ । বালিকা কন্যার উচ্চারণে পাছে ক্রটি হয় এইজন্য মধু তাহার হইয়া উচ্চারণ করিতে যাইতেছিল, এমন সময়ে শিবু পণ্ডিত দু হাত তুলিয়া বজ্রগর্জনে সকলকে চমকিত করিয়া বলিয়া উঠিল, ও মস্তরই নয়। বিয়েই হ’ল না। পিছনে একটা টান পাইয়া ফিরিয়া দেখি রাজলক্ষ্মী মুখের মধ্যে আঁচল গুজিয়া প্রাণপণে হাসি চাপিবার চেষ্টা করিতেছে, এবং উপস্থিত সমস্ত লোকই একান্ত উদগ্রীব হইয়া উঠিয়াছে। রাখাল পণ্ডিত লজ্জিতমুখে কি একটা বলিতে গেল, কিন্তু তাহার কথা কেহ কানেই লইল না ; সকলেই সমস্বরে শিবুকে অনুনয় করিতে লাগিল, পণ্ডিতমশাই মস্তরটি আপনিই বলিযে দিন, নইলে এ বিয়েই হবে BSBB BBB BB BBBS BB BBBB BBBD DDB BBBBB BB BB BBB BBBBBS শিবু পণ্ডিত তখন ঔদার্থ দেখাইয়া কহিলেন, বাখালেন দোষ নেই, আসল মস্তর আমি ছাড়া এঅঞ্চলে আর কেউ জ্ঞানেই মা ! বেশি দক্ষিণে আমি চাইনে ; আমি এইখান থেকেই মন্ত্রপাঠ করচি. বাখাল ওদের পড়াক । এই বলিয়া সেই শাস্ত্রজ্ঞ পুরোহিত মস্ত্রোচ্চারণ করিতে লাগিলেন এবং পরাজিত রাখাল নিরীহ ভালমানুষটির মত বরকনাকে আবৃত্তি কবইতে লাগিল। শিবু কহিলেন, বল, মধু ডোমায় কন্যায় ভূজ্যপত্ৰং নমঃ । বর আবৃত্তি করিল, মধু ডোমায় কন্যায় ভুজ্ঞাপত্ৰং নমঃ । শিবু কহিলেন, মধু, এবার তুমি বল, ভগবতী ডোমায় পুত্রায় সম্প্রদাঃ মিঃ। সকন্যা মধুইহাই আবৃত্তি করিল। সকলেই নীরব, স্থির। ভাবে বোধ হইল শিবুর মত শাস্ত্রজ্ঞ ব্যক্তি ইতিপূর্বে এ অঞ্চলে পদার্পণ করে নাই । শিবু বরের হাতে ফুল দিয়া কহিলেন, বিপিন, তুমি বল, যতদিন জীবনং ততদিন ভাত-কাপড় প্রদানং স্বাহা । বিপিন থামিয়া থামিয়া বহু দুঃখে বহু সময়ে এই মন্ত্র উচ্চারণ করিল। শিবু কছিলেন, বর-কন্যা দু’জনেই বল, যুগল মিলনং নমঃ। বর এবং কন্যার হইয়া মধুইহা আবৃত্তি করিল। ইহার পরে বিরাট হরিধ্বনিসহকারে বর-কন্যাকে বাটীর মধ্যে বহন করিয়া লইয়া যাওয়া হইল। আমার চতুষ্পার্শ্বে একটা গুঞ্জনরোল উঠিল—সকলেই একবাক্যে স্বীকার করিতে লাগিল যে, হী, একজন শাস্তর-জানা লোক বটে; মস্তুর পড়লে বটে রাখাল পণ্ডিত এতকাল আমাদের কেবল ঠকিয়েই খাচ্ছিল। সমস্তক্ষণ আমি গভীর হইয়াই ছিলাম এবং শেষ পর্যন্ত এই অসীম গাম্ভীর্য বজায় রাখিয়াই রাজলক্ষ্মীর হাত ধরিয়া বাট ফিরিয়া আসিলাম। ওখানে কি করিয়া যে সে আপনাকে সংবরণ করিয়া বসিয়ছিল আমি জানি না, কিন্তু স্বরে আসিয়া হাসির প্রবাহে তাহার যেন দম বন্ধ হইবার জো হইল। বিছানায় লুকাইয়া পড়িয়া সে কেবলই বলিতে লাগিল, হাঁ, একজন মহামহোপাধ্যায় বটে রাখাল *थनेित्र ४धटमग्न ¢कराल *कि ई थाष्किल ।