প্রধান মেনু খুলুন

পাতা:শ্রীকান্ত (তৃতীয় পর্ব).djvu/৪৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


6ft थग्नदग्नङमाकर्णी মীমাংসা করিয়া দিব। কিন্তু ডাকিতে হইল না, দুপুরবেলা পাড়ার মেয়ে-পুরুবে বাড়ি ভরিয়া গেল। নবীন কছিল, বাৰুমশায়, ওকে আর আমি চাইমে—মষ্ট মেয়েমানুষ। ও আমার ঘর থেকে দূর হয়ে যাক। মুখরা মালতী ঘোমটার ভিতর হইতে কহিল ও আমার শাঁখা-নোয়া খুলে দিক। নবীন বলিল, তুই আমার রুপোর পৈচে ফিরিয়ে দে। মালতী তৎক্ষশাৎ হাত হইতে সে-সুইগাছ টানিয়া খুলিয়া দূর করিয়া ফেলিয়া দিল। নবীন কুড়াইয়া লইয়া কহিল, আমার টিনের তোরঙ্গ তুই নিতে পাবিনে। ... ལྟ་རྒྱུག་ཅིང་། ཕཁཅཚ༦༠་ཝཁག ༢ ཙང་གཙང་ ཨa ཚ་ཁ་ཁ་ལ་ཟ་གང་ཐབ་ཁང་། | নবীন তখন বীরদপে অগ্রসর হইয়া মালতীর শাঁখা পটপট করিয়া ভাঙ্গিয়া দিল এবং নোয়াগাছটা টানিয়া খুলিয়া প্রাচীর ডিঙ্গাইয়া দূর করিয়া ফেলিয়া দিল। কহিল, যা, তোকে বিধবা করে দিলাম। আমি ত আবাক লইয়া গেলাম। একজন বৃদ্ধ ব্যক্তি তখন বুঝাইয়া বলিল যে, এরূপ না হইলে মালতীর নিকা করা আর হইত না—সমস্তই ঠিকঠাক আছে। কথায় কথায় ব্যাপারটা আরও বিশদ হইল। বিশ্বেশ্বরের বড়জামায়ের ভাই আছে ছয় মাস ধরিয়া হাঁটাহঁটি করিতেছে। তাহার অবস্থা ভাল, বিণ্ডকে সে কুড়ি টাকা নগদ দিবে, এবং মালতীকে পায়ে মল, হাতে রুপোর চুড়ি এবং নাকে সোনার নথ দিবে বলিয়াছে, এমন কি এগুলি সে বিশুর কাছে জমা রাখিয়া পর্যন্ত দিয়াছে। শুনিয়া সমস্ত জিনিসটাই অত্যন্ত বিস্ত্রী ঠেকিল। কিছুদিন হইতে যে একটা কদৰ্য যড়যন্ত্র চলিতেছিল, তাহা নিঃসন্দেহ, এবং না জানিয়া হয়ত আমি তাহার সাহায্যই করিলাম। নবীন কহিল, আমি তএই চাই। শহরে গিয়ে এবার মজা করে চাকরি করব—তোর মত আমন দশগগু বিয়ে করব। রাঙামাটির হরি মোড়ল ত তার মেয়ের জন্য সাধাসাধি করচে, তার পায়ের নোখেও তুই লাগিস মে । এই বলিয়া সে তাহার রূপার পৈচা ও তোরঙ্গর চাবি ট্যাকে গুজিয়া চলিয়া গেল। এই আস্ফালন সত্ত্বেও কিন্তু তাহার মুখ দেখিয়া মনে হইল না যে, তাহার শহরের চাকরি কিংবা হরি মোড়লের মেয়ে কোনটার আশাই তাহার ভবিষ্যৎকে উজ্জ্বল করিয়া ধরিয়াছে। রতন আসিয়া কহিল, বাবু, মা বলচেন এসব নোংরা কাণ্ড বাড়ি থেকে বিদায় করুন। আমাকে করিতে কিছু হইল না, বিশ্বেশ্বর মোড়ল তাহার মেয়েকে লইয়া উঠিয়া দাঁড়াইল ; কিন্তু পাছে আমার পায়ের ধুলো লইতে আসে, এই ভয়ে তাড়াতাড়ি গিয়া ঘরে ঢুকিলাম। ভাবিবার চেষ্টা করিলাম, যাক, যা হইল ভালই হইল। মন যখন ভাঙ্গিয়াছে এবং উপায় যখন আছে, তখন ব্যর্থ আক্ৰোশে নিত্য-নিয়ত মারামারি কাটাকাটি করিয়া ঘর করার চেয়ে এ ভাল। কিন্তু আজ সুনন্দার বাৰ্টী হইতে ফিরিয়া শুনিলাম, গত কল্যকার নিপত্তি আমন নিছক ভালই হয় নাই। সদ্যবিধবা মালতীর উপর নবীন স্বামিজের দাবি-দাওয়া সম্পূর্ণ পরিত্যাগ করিলেও মারপিটের অধিকার ছাড়ে নাই। সে এ-পাড়া হইতে ও-পাড়ায় গিয়া হয়ত সমস্ত সকলটা লুকাইয়া অপেক্ষা করিয়াছে এবং এক সময়ে একাকী পাইয়া বিষম কাণ্ড করিয়া আসিয়াছে। কিন্তু মেয়েটাই বা গেল কোথায়? সূর্য অভ গেল। পশ্চিমে জানালা দিয়া মাঠের দিকে চাহিয়া ভাবিতেছিলাম, খুৰ সভব মালতী পুলিশের ভয়ে কোথায় লুকাইয়া আছে, কিন্তু নবীনকে সে যে ধরাইয়া দিয়াছে, ভালই করিয়াছে। হতভাগার উপযুক্ত শাস্তি হইয়াছে—মেয়েটা নিঃশ্বাস ফেলিয়া বঁটিবে। BDDD BB BBB BBB BB DDD DDDD BBBD DBBS DD BBD DD BBD না। নীরবে বাহির হইয়া পাশের ঘরে চৌকাঠে পা দিয়াই কিন্তু কি একটা ভারী জিনিস পড়ার শঙ্গের সঙ্গে সঙ্গেই অস্ফুট চীৎকার করিয়া উঠিল। দুটিয়া গিয়া দেখি মৃত একটা কাপড়ের পুটলি দুই হাত বাড়াইয়া তাহার পা ধরিয়া তাহারি উপর মাথা খুঁড়িতেছে, রাজলক্ষ্মীর হাতের প্রদীপটা পড়িয়া গেলেও పోఖ్రాగి కళా 67 శా * চোখে পড়িল । , f